Posts

রবিবার নেতাজি সুভাষ মিশনের উদ্যোগে আয়োজিত হল রক্তদান শিবির ক্যাম্প

Image
রক্তদান শিবির একটি জীবন রক্ষাকারী উদ্যোগ যার উদ্দেশ্য হল জরুরি চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার, এবং থ্যালাসেমিয়া, হিমোফিলিয়ার মতো রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় রক্তের সরবরাহ নিশ্চিত করা। এটি সমাজের মানুষের মধ্যে জীবন बचाने এবং একে অপরকে সাহায্য করার মানসিকতা বাড়ায়। এছাড়া, নিয়মিত রক্তদানে রক্তদাতার হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, এবং কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে, যা তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। রক্তদান শিবিরের প্রয়োজনীয়তা ও উদ্দেশ্য: জীবন বাঁচানো: রক্তদান শিবির থেকে সংগৃহীত রক্ত ক্যান্সার, থ্যালাসেমিয়া, দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন জরুরি অবস্থায় রোগীদের জীবন বাঁচাতে অপরিহার্য। রক্তের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ: এটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলিতে রক্তের নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করে, যা অনেক সময় চাহিদা পূরণ করতে পারে না। মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি: এটি মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, উদারতা এবং একে অপরের প্রতি মমত্ববোধ বাড়িয়ে তোলে। সচেতনতা বৃদ্ধি: শিবিরগুলো রক্তদান সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করে, সঠিক তথ্য প্রদান করে এবং মানুষকে রক্তদানে উৎসাহিত করে। স্বেচ্ছাসেবক পুল তৈরি: ভবিষ্যতে চি...

শুক্রবার নবযুবক নাগরিক সংঘে গণেশ পুজো উপলক্ষে আয়োজিত হল ভোগ বিতরণ অনুষ্ঠান

Image
গণেশ চতুর্থী হিন্দু ধর্মের একটি প্রধান উৎসব, যা হিন্দু দেবতা গণেশের জন্মোৎসব হিসেবে পালিত হয়। এটি বিনায়ক চতুর্থী অথবা বিনায়ক চবিথি নামেও পরিচিত। উৎসবের মূল বৈশিষ্ট্য হলো বাড়িতে ও জনসমক্ষে সাময়িক মণ্ডপে গণেশের প্রতিমা স্থাপন, বৈদিক স্তোত্রপাঠ, উপবাস, পূজা ও প্রসাদ বিতরণ। বিশেষত মোদক এই উৎসবের নৈবেদ্য হিসেবে প্রদান করা হয়। দশ দিনব্যাপী এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটে অনন্ত চতুর্দশীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে, যা নদী, সমুদ্র বা অন্য জলাশয়ে সম্পন্ন হয়। কেবল মুম্বাই শহরেই প্রতিবছর প্রায় দেড় লক্ষ প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। গণেশ চতুর্থী মূলত "শুভ সূচনার দেবতা", "বাধা অপসারণকারী" ও "জ্ঞান ও প্রজ্ঞার দেবতা" হিসেবে গণেশের পূজা নিবেদনকে কেন্দ্র করে পালিত হয়। ভারতের মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কেরল ও গোয়া রাজ্যে এ উৎসব ব্যাপকভাবে পালিত হয়। ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, মরিশাস, ফিজি, দক্ষিণ আফ্রিকা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, গায়ানা, সুরিনাম, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিশ্বব্যাপী হি...

শ্রী শ্রী সিদ্ধি বিনায়ক ভক্ত মন্ডলী উদ্যোগে আয়োজিত হল গণেশ চতুর্দশী আরাধনা

Image
গণেশ চতুর্থী ২০২৫ সালের তিথি ২৬ অগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে। তবে উদয়া তিথি অনুসারে এই বিশেষ পুজো ২৭ অগস্ট আয়োজিত হবে। দেশের উৎসবের মরশুমে এবার আগমন গণপতি বাপ্পার! দেশের নানান প্রান্ত বিঘ্নহর্তার আরাধনায় মাতোয়ারা হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ভাদ্রের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথি থেকে চতুর্দশী তিথি পর্যন্ত চলে গণপতির বিশেষ আরাধনা। এবার ২০২৫ সালের গণেশ চতুর্থীর তিথি আজ ২৬ অগস্ট থেকে পড়ে গিয়েছে। আর তিথি শেষ হচ্ছে ২৭ অগস্ট। ধর্মমতে, উদয়া তিথি অনুসারে, দেশ জুড়ে বুধবার পালিত হবে গণেশ চতুর্থী। রইল গণেশ চতুর্থীর তিথি। গণেশ চতুর্থীর তিথি ২০২৫ সালে শুরু হচ্ছে ২৬ অগস্ট ২০২৫। ২৬ অগস্ট অর্থাৎ আজ মঙ্গলবার দুপুর ১ টা ৫৪ মিনিটে এই তিথি পড়ে গিয়েছে। তবে তিথি থাকবে ২৭ অগস্ট পর্যন্ত। ২৭ অগস্ট ৩ টে ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এই তিথি থাকবে। গণেশের পুজোর বিশেষ মুহূর্ত ২৭ অগস্ট বেলা ১১ টা ০৫ থেকে শুরু হবে। জ্যোতিষ তথ্য বলছে, কলকাতায় এই পুজোর বিশেষ সময়কাল ২৭ অগস্ট ২০২৫ সালে বেলা ১০ টা ২২ মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে, আর তা শেষ হবে বেলা ১২ টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত। বুধবার সারা দেশজুড়ে পালিত হল শ্রী শ্রী সিদ্ধি বিনায়ক গণেশ চতুর্দশী। ঠি...

তৃণমূল ছাত্র পরিষদে প্রতিষ্ঠা দিবসে প্রস্তুতি সভা করলেন ২৩নং ওয়ার্ড তৃণমূল ছাত্র পরিষদ

Image
আগামী ২৮ শে আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর এই প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে মহাসমাবেশ। তার আগে রাজ্যজুড়ে প্রস্তুতি বৈঠক শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।সোমবার ২৩নং ওয়ার্ড তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পরিচালনায় আয়োজিত হল ২৮ আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রস্তুতি পর্ব সভা। নেতৃত্ব দিয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সৌরভ দাস। বড় বাজার তারা সুন্দরী পার্কে সন্নিকটে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বিবেক গুপ্তা, প্রিয়দশিনী ঘোষ, পবন শর্মা, সন্দীপ সিং, দীপক নিগালিয়া, সহ বিশিষ্ট মানুষ জনেরা। তবে এই মঞ্চে থেকে আগামী ২৮ ই আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের যে সমাবেশ হতে চলেছে। সেই সমাবেশে সবাই কে যাবার আহ্বান জেনালেন কনিষ্ঠ নেতা সৌরভ দাস।

রবিবার আন্ত:রাষ্ট্রীয় ব্রাক্ষণ মহাসংঘ উদ্যোগে আয়োজিত হল রক্তদান শিবির

Image
রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম কারণ এর মাধ্যমে জরুরি অবস্থায় জীবন বাঁচানো, ক্যান্সার বা রক্তাল্পতার মতো রোগে আক্রান্তদের সাহায্য করা, এবং নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত সুবিধা লাভ করা যায়। একটি একক রক্তদান একাধিক জীবন বাঁচাতে পারে, কারণ একজন দাতার থেকে প্রাপ্ত রক্ত তিনটি ভিন্ন জীবন রক্ষাকারী উপাদানে (যেমন লোহিত রক্তকণিকা, প্লাজমা ও প্লেটলেট) বিভক্ত করা যায়। এটি একটি মহৎ এবং মানবিক কাজ যা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রবিবার আন্ত: রাষ্ট্রীয় ব্রাক্ষণ মহাসংঘ উদ্যোগে আয়োজিত হল রক্তদান শিবির ক্যাম্প। সহযোগিতায় জোড়াবাগান উন্নয়ন পরিষদ, নিমতোলা উন্নয়ন পরিষদ ও জোড়াবাগান মহিলা উন্নয়ন পরিষদ। অনুষ্ঠানটি আয়োজন হয় ১৮৭ মহর্ষি দেবেন্দ্র রোডে। অনুষ্ঠানে আহ্বাক অমিত মিশ্রা ও রচনা অমিত মিশ্রা। বহু মানুষ এই ক্যাম্পে রক্তদান করেন। রক্তদান মহৎদান। তাই এই সামাজিক কাজটি বিভিন্ন জায়গায় হয়ে থাকে। মানুষের উপকারে জন্য। ঠিক তেমনি এখানেও হয়। তবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, বাবুন ব্যানার্জী, পৌরপিতা বিজয় উপপাধ্যায়, এছাড়াও ছিল বিশিষ্ট মানুষজনেরা।

কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে কসবা আদ্যা কালী মাতার মন্দিরে ধুমধাম করে পুজো হল

Image
শুক্রবার কৌশিকি অমাবস্যা উপলক্ষে কসবা আদ্যা কালী মাতার মন্দিরে সারম্বরে সাথে ধুমধাম করে পুজো হল। ১১০ বি, বি, চ্যাটার্জি রোড কলকাতা ৭০০৪২। এই মন্দিরে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এসে এই মন্দিরে পুজো দিলো এই দিন। প্রতি বছর এই ভাবেই পুজো হয়ে আসছে এই মন্দিরে। ভক্তরা বলেন যে যার মনোস্কামনা নিয়ে এসে এখানে পুজো দিলে তাঁদের মনোস্কামনা পূরণ হয়। তাই এলাকার মানুষের কাছে অতি জগতো এই মন্দির হয়ে উঠেছে। এই দিন বহু মানুষ দাঁড়িয়ে থেকে পুজো দেয় । এবং পাশাপাশি ভক্তরা ভোগও নেন তারা।তবে এই মন্দিরে চেয়ারম্যান পৌরপিতা বিজনলাল মুখার্জী, প্রেসিডেন্ট রানা বসু, সভাপতি টুডু ব্যানার্জী।

দেশের বিরোধী দল মুছে দিতে চাইছে মোদী, কিন্তু ওতো সহজ নয়, দিদি কে টলানো বলেন মনমোহিনী বিশ্বাস

Image
আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান।আপনার মতামত, আপনার প্রয়োজন, আপনার সিদ্ধান্ত সারা বাংলা জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় চলছে এই ক্যাম্প। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে অনুপ্রেরণায় প্রতিটি বুথের জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছে। যাতে এলাকার মানুষের দাবী অনুযায়ী বিভিন্ন উন্নয়ন হবে ওই টাকায়। বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা দক্ষিণ পঞ্চগ্রাম,৩নং বাসুল ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত বুথ নং ১৬৫ তে এরই একটি ক্যাম্পে আয়োজন হয়। তার পাশাপাশি চলছে দুয়ারে সরকারে ক্যাম্প। তবে এই দিন এই ক্যাম্পের মধ্যে দিয়ে অঞ্চলে মানুষের জন্য কি কি প্রয়োজন রাস্তা ঘাট, ড্রেন,কল, স্কুল, এছাড়াও আর কি প্রয়োজন সব কিছু নিয়ে আলোচনা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভিডিও অধিকারিক, বিধায়ক পান্নালাল হালদার, তৃণমূল কংগ্রেসে নেত্রী মনমোহিনী বিশ্বাস, এছাড়াও ছিল দলীয় কর্মীরা। তবে এই দিনের সংবাদ মাধ্যম কে তৃণমূল কংগ্রেসে একজন বিসস্থ কর্মী মনমোহিনী বিশ্বাস বলেন দেশের প্রধান মন্ত্রী একজন পাগলা। এদের কাজ নেই, সারাক্ষন জাত পাদের মধ্যে দাঙ্গা লাগানো কাজ করে থাকে। এবং বিরোধী দল কে ভারতবর্ষ থেকে মুছে দিতে চাইছে, কিন্তু সেটা এতো সহজ নয়। বাংলার দিদি কে টলানো মু...