Posts

১৪১ নং ওয়ার্ড ওয়ার্ষি নগরে মেট্রিয়া বুশে প্রার্থী আব্দুল খালেক মোল্লা জনসভা

Image
প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৬ জেলার ১৫২ কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়। এই পর্যায়ে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ ৭৭ হাজারের বেশি। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ। মহিলা ভোটারের সংখ্যা এক কোটি ৭৫ লাখের বেশি। ভোট নেওয়া হয় সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৯০ শতাংশ পার করে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ে মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ আসনে। সব মিলিয়ে ভোটদানের হার ৯৫.৩৪ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে বিপুল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল। মোট ২৪০৭ কোম্পানি বাহিনী ছিল ১৬টি জেলায়। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তবু বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোল হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদের নওদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে। মুর্শিদাবাদের নওদা কেন্দ্রে সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় তৃণমূল এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির মধ্যে। ১৭২ নম্বর বুথে আমজনতা উন্নয়নের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের এজেন্টকে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ আসে। হুমায়ুন বুথে গেলে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। গো ব্...

দেশ বাঁচাও বাংলা বাঁচাও জনমঞ্চ DBBBPP উদ্যোগে এবং ভোটাধিকার রক্ষা প্রেস কনফারেন্স

Image
দেশ বাঁচাও বাংলা বাঁচাও জনমঞ্চ DBBBPP এর উদ্যোগে এবং ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চে সমর্থনে প্রেস কনফারেন্স হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। সেই কনফারেন্স মূল বিষয় গুলি হল অসংবিধানিক বে আইনি sir বাতিল কর এবং মিলিটারি তুলে নাও। আগে ভোটার পড়ে ভোট। ৯১ লাখ ডিলিটেড ভোটারদের পাশে দাড়াও। সব বাদ পড়া ভাইবোন বুথে চলো। ২০২৫ তালিকা ভোট করতে হবে। নইলে এই অবৈধ ভোট মানছি না। মোথাবাড়ি ন্যায্য আন্দোলনে যারা বন্দী, তাঁদের সকলকে এখনই নিঃশর্তে মুক্তি চাই। সব শেষে আরও একটি বিষয় হল আক্রান্ত ইরান ও লেবানের পাশে দাড়াও এবং ন্যায্যসম্মত শান্তি চুক্তি জন্য দাবী জানাও।নির্বাচন কমিশনে কাছে এক গুচ্ছ প্রশ্ন ১) স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন sir সাল থেকে কোথায় ছিল না, তাহলে কেন ২০২৫ জুন এই ঘোষণা দিলেন? ২০০২ সালে বাংলায় ছিল আমূল তালিকা সংশোধনী নয় কি। কেন এনুমারেশন ফর্ম দিলেন যা আগে কমিশন কখনো দেয়নি। কেন বললেন এনুমারেশন ফর্মরে সাথে কোন কাগজ লাগবে না, কেন বারবার কাগজ চাইলেন। কেন বলেছিলেন ২০০২ সালে যাদের নাম আছে ( বাবা মা দাদা দিদি, স্বয়ং ভোটার ) তাঁদের নাম উঠে যাবে। কেন গোড়া থেকে সার্ভার ওয়েবসাইট কাজ করেনি। কেন ২০২৫ এর ৭.৬৬ কোটি ভোট...

শুক্রবার সৌরভ ভেঞ্চার এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত ইমামদার সিনেমা পোস্টার লঞ্চ হল

Image
২০২৪-২৫ সালের প্রেক্ষাপটে বাংলা সিনেমার অবস্থা মিশ্র—আর্থিক সংকট ও গুণমান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, নতুন ধারার গল্প এবং সরকারি উদ্যোগে (যেমন: হলগুলোতে বাধ্যতামূলক শো) ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চলছে। কলকাতার টলিউড বর্তমানে হারানো গৌরব ফেরাতে কন্টেন্ট ভিত্তিক সিনেমার ওপর জোর দিচ্ছে, যদিও বড় বাজেটের সিনেমার অভাব এবং ব্যবসার খরা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। অপর্ণা সেনের মত ব্যক্তিত্বরা ইন্ডাস্ট্রিকে 'মরার' অবস্থায় বলে উল্লেখ করেছেন, যেখানে বেশিরভাগ দর্শক টেলিভিশন সিরিয়ালের দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া, প্রাইম টাইমে মাল্টিপ্লেক্সে জায়গা না পাওয়া এবং টিকিট বিক্রির অভাব বড় সমস্যা। কন্টেন্ট বা গল্পের ওপর জোর দিয়ে কিছু সিনেমা মালয়ালাম সিনেমার ধাঁচে সফল হওয়ার চেষ্টা করছে। সরকারি পদক্ষেপ: রাজ্যের প্রতিটি সিনেমা হল ও মাল্টিপ্লেক্সে বছরজুড়ে বাংলা ছবি দেখানো বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা হল মালিকদের বাংলা সিনেমা চলতে বাধ্য করবে। অনেক প্রযোজক সিনেমা বানিয়েও প্রচারের জন্য উপযুক্ত অর্থ পাচ্ছেন না, যা ব্যবসার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংক্ষেপে, বাংলা সিনেমা বর্তমানে একটি সন্ধিক্ষণে রয়েছে, যেখানে মানস...

গৌ সন্মান আহ্বান অভিযান ২০২৬ শে হতে চলেছে

Image
ভারতে গো-হত্যা বন্ধের দাবির পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং অর্থনৈতিক উপকারিতা। হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে গরু পবিত্র ও 'গোমাতা' হিসেবে পূজনীয়, তাই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করতে এবং গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে দুধ ও গোবরের অবদানের কারণে একে রক্ষার কথা বলা হয়। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস: হিন্দু ধর্মে গরুকে গোমাতা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং শাস্ত্রে গো-হত্যা মহাপাপ বলে উল্লেখ রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে কৃষিকাজে, সার হিসেবে গোবর এবং দুধের যোগানদাতা হিসেবে গরুর ভূমিকা অপরিসীম। জীবন্ত গরু অর্থনৈতিকভাবে মৃত গরুর চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। ভারতীয় সংস্কৃতিতে অহিংসা পরম ধর্ম। গরু একটি শান্ত ও উপকারী প্রাণী, তাই পশুকুরতা বিরোধী মনোভাব থেকে এদের হত্যা বন্ধের দাবি তোলা হয়। পেটা (PETA) এবং অন্যান্য প্রাণী সুরক্ষা গোষ্ঠীগুলো জবাইখানায় পশুকুরতার কারণে গো-হত্যা পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে, গো-মাংস ভক্ষণ, চামড়া শিল্প এবং কৃষকের মৃত বা বৃদ্ধ গরু বিক্রি করে আর্থিক সংস্থান করার বিষয়গুলো গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে মত দেয় ...

রবিবার 79 নং ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি প্রচার সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসে প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম

Image
২৩শে এপ্রিল ও ২৯শে এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এবং ৪ঠা মে ভোট গণনার জন্য নির্ধারিত এই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬, কেবল আরেকটি নির্বাচনী চক্র নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত যা রাজ্যের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে। অনেক ভোটারের কাছে এই নির্বাচন রাজনৈতিক স্লোগানের বিষয় নয়। এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত – যে রাস্তায় তারা যাতায়াত করেন, যে নিরাপত্তা তারা অনুভব করেন, যে চাকরির জন্য তারা সংগ্রাম করেন এবং যে রাজ্যে তারা বাস করেন তার পরিচয়ের সাথে। এই বছর যখন মানুষ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তখন তাঁরা শুধু একজন প্রার্থীকেই বেছে নিচ্ছেন না। তাঁরা বেছে নিচ্ছেন আগামী দশকে বাংলা কেমন হবে। এই নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ গতিপথ—এর উন্নয়ন মডেল, শাসনের মান, আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি এবং এমনকি বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে এর ভূমিকাও নির্ধারণ করবে। এই ব্লগটি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনকে প্রভাবিতকারী মূল বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে, যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, নেতৃত্বের লড়াই, নাগরিক সমস্যা, পরিচয়ের আখ্যান, ভোটারদের চ্যালেঞ্জ এবং প্রযুক্ত...

শুক্রবার প্রচার সারলেন চুরাঙ্গী বিধানসভা প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ২৯৪টি আসনেই অনুষ্ঠিত হবে, যার প্রস্তুতির জন্য নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধন (বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR) এবং BLO-দের নির্দেশিকা প্রদান করেছে । সব প্রধান দল—টিএমসি, বিজেপি এবং বামফ্রন্ট—প্রার্থী নির্বাচন ও নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করছে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। একদিকে নির্বাচন কমিশন যেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তেমনই রাজনৈতিক দলগুলোও প্রার্থী চূড়ান্ত করে নেমে পড়েছে প্রচারে। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনটি এই বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্যতম হাই ভোল্টেজ লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। তার মূল কারণ এই আসনের প্রার্থী তালিকা - একদিকে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জী লড়ছেন, অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। একসময় মিজ. ব্যানার্জীর মন্ত্রিসভার অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ...

মেট্রিয়া বুশে প্রার্থী আব্দুল খালেক মোল্লা হয়ে প্রচার সারলেন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান

Image
২৩শে এপ্রিল ও ২৯শে এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এবং ৪ঠা মে ভোট গণনার জন্য নির্ধারিত এই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬, কেবল আরেকটি নির্বাচনী চক্র নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত যা রাজ্যের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে। অনেক ভোটারের কাছে এই নির্বাচন রাজনৈতিক স্লোগানের বিষয় নয়। এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত – যে রাস্তায় তারা যাতায়াত করেন, যে নিরাপত্তা তারা অনুভব করেন, যে চাকরির জন্য তারা সংগ্রাম করেন এবং যে রাজ্যে তারা বাস করেন তার পরিচয়ের সাথে। এই বছর যখন মানুষ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তখন তাঁরা শুধু একজন প্রার্থীকেই বেছে নিচ্ছেন না। তাঁরা বেছে নিচ্ছেন আগামী দশকে বাংলা কেমন হবে। এই নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ গতিপথ—এর উন্নয়ন মডেল, শাসনের মান, আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি এবং এমনকি বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে এর ভূমিকাও নির্ধারণ করবে। এই ব্লগটি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনকে প্রভাবিতকারী মূল বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে, যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, নেতৃত্বের লড়াই, নাগরিক সমস্যা, পরিচয়ের আখ্যান, ভোটারদের চ্যালেঞ্জ এবং প্রযুক্তির ভূমিকা।...