Posts

IPA বেঙ্গল শাখার বার্ষিক সম্মেলন 14 এবং 15 মার্চ IIT খড়গপুর রিসার্চ পার্ক, নিউ টাউন, কলকাতায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে

Image
আইপিএ বার্ষিক কনভেনশন এক্সপো, নেক্সটজেন ফার্মা 2026. গ্লোবাল হেলথ কেয়ার ক্ষমতায়নের উপর ফোকাস করে- বিখ্যাত ফার্মা প্ল্যাটফর্ম IPA (ইন্ডিয়ান ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন) বেঙ্গল শাখার বার্ষিক সম্মেলন 14 এবং 15 মার্চ 2026 তারিখে IIT খড়গপুর রিসার্চ পার্ক, নিউ টাউন, কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক সংস্থা এবং সমিতির মূল সদস্য . . শ্রী দেবর্ষি দত্তগুপ্ত চেয়ারম্যান, শ্রী প্রভাস বন্ধু চক্রবর্তী... সহ-সভাপতি, ড. মুক্তিপদ রানা... সভাপতি, আইপিএ বেঙ্গল শাখা এবং আহ্বায়ক, ড. জয়ন্ত চৌধুরী সাংগঠনিক সম্পাদক, জনাব অশোক কুমার মাইতি... মাননীয় সচিব, আইপিএ বেঙ্গল ফার্মা এবং নির্বাহী সম্পাদক, শ্রী পি.কে.নাথ কোম্পানী, ড. আহবায়ক, ড. পুলক কুমার মুখোপাধ্যায়... বৈজ্ঞানিক কমিটির চেয়ারম্যান, ড. সুভাষ সি. মন্ডল... জাতীয় সম্পাদক আইপিএ, ড. আর.এন.গুপ্তা...সহ জাতীয় সভাপতি জনাব অরূপ কুমার চ্যাটার্জি ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার, আজ, 11 ই মার্চ 2026 কলকাতা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মিডিয়াকে ব্রিফ করেন। এই বছরের সম্মেলনের থিম হল ক্ষমতায়ন গ্লোবাল হেলথ কেয়ার- উদ্ভাবন, বিতরণ এবং অনুশীলন। 2 দিনের কনভেনশনটি...

নিজের বাস ভবনে কুমারী পুজো করলেন ভক্তা নন্দ গিরি মহারাজ

Image
কুমারী পূজা শুধু আধ্যাত্মিক আচার নয়। এটি ভারতীয় সমাজের নৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। ঋকবেদ থেকে তন্ত্রশাস্ত্র—সব জায়গায় এর মাহাত্ম্য বলা আছে। ভারতীয় সমাজ ও সংস্কৃতির ইতিহাসে কুমারী পূজা কেবলমাত্র ধর্মীয় আচার নয়। এটি মানব জীবনের নৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন— 'নারীর মধ্যেই দেবী আছে, তাঁকে সম্মান করো, পূজা কর, এতে শক্তি ও নৈতিকতা উভয়ই বিকশিত হয়।' কুমারী পূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি পবিত্র রীতি, যা মূলত দুর্গা পূজার মহাষ্টমী বা নবমী তিথিতে ২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ঋতুমতী না হওয়া বালিকাদের দেবী দুর্গার রূপ (নয়টি রূপে) হিসেবে আরাধনা করা হয়। তন্ত্রশাস্ত্র অনুসারে, কুমারীর মধ্যে প্রকৃতির নারীশক্তি ও ঈশ্বরের প্রভাব বিরাজ করে। এই পুজোর মূল মাহাত্ম্য হলো নারীর সম্মান প্রতিষ্ঠা, সৃষ্টির প্রাকৃতিক শক্তির উপাসনা এবং দুর্গতিনাশিনী দেবীর আশীর্বাদ লাভ করে সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করা। কুমারী পূজার মূল মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য: নারীশক্তির জাগরণ: প্রাচীনকাল থেকে মুনিঋষিরা বিশ্বাস করতেন, নারীর মধ্যেই প্রকৃতির আসল রূপ বিরাজম...

ভারতীয় জনতা পার্টি কলকাতা পোর্ট বিধানসভা উদ্যোগে হোলি সম্মেলন অনুষ্ঠান

Image
আন্তর্জাতিক নারী দিবস (IWD) ১৯০০ সালের গোড়ার দিক থেকে পালিত হয়ে আসছে - শিল্পোন্নত বিশ্বে বিশাল সম্প্রসারণ ও অস্থিরতার সময়, যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং উগ্র মতাদর্শের উত্থান ঘটেছিল। ১৯০৮ সালে নারীদের মধ্যে তীব্র অস্থিরতা এবং সমালোচনামূলক বিতর্ক চলছিল। নারী নির্যাতন এবং বৈষম্য নারীদের পরিবর্তনের জন্য প্রচারণায় আরও সোচ্চার এবং সক্রিয় হতে উৎসাহিত করছিল। এরপর ১৯০৮ সালে, ১৫,০০০ নারী নিউ ইয়র্ক সিটিতে কম কাজের সময়, উন্নত বেতন এবং ভোটাধিকারের দাবিতে মিছিল করেন। ১৯০৯ সালে আমেরিকার সমাজতান্ত্রিক দলের ঘোষণা অনুসারে, ২৮শে ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রথম জাতীয় নারী দিবস (NWD) পালিত হয়। ১৯১৩ সাল পর্যন্ত মহিলারা ফেব্রুয়ারির শেষ রবিবারে NWD উদযাপন করে আসছিলেন। আন্তর্জাতিক নারী দিবসতালিকা কার্ল মারিয়া স্ট্যাডলার (১৮৮৮ - ১৯৪৩), পাবলিক ডোমেইন, উইকিমিডিয়া কমন্সের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ইতিহাস আন্তর্জাতিক নারী দিবস (IWD) ১৯০০ সালের গোড়ার দিক থেকে পালিত হয়ে আসছে - শিল্পোন্নত বিশ্বে বিশাল সম্প্রসারণ ও অস্থিরতার সময়, যেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং উগ্র মতাদর্শের উত্থান ঘটেছি...

বৃহস্পতিবার দ্যা বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স পরিচালনা আয়োজিত হল বসন্ত উৎসব

Image
বসন্ত উৎসব হল পশ্চিমবঙ্গ বাঙালীদের দ্বারা উদযাপিত একটি উৎসব। উৎসবটি প্রতিবছর ফাল্গুনী পূর্ণিমায় উদযাপিত হয়। পশ্চিমবঙ্গ ও বাঙালি অধ্যুষিত অন্যান্য ভারতীয় রাজ্যে উৎসবের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়; শান্তিনিকেতনে উৎসবের সবচেয়ে বৃহৎ আয়োজন দেখা এই উৎসবটি বিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশে পশ্চিমবঙ্গের শান্তিনিকেতনে শুরু হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বসন্ত উৎসবকে শ্রীময় ও সুসংস্কৃত করে তুলেছিলেন। এই উৎসবে হোলি ও বাংলার নিজস্ব দোল উৎসবের মার্জিত রূপ দেখা যায়।বৃহস্পতিবার দ্যা বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স পরিচালনায় আয়োজিত হল বসন্ত মিলন উৎসব। অনুষ্ঠানটি নিবেদন করেছেন সভাপতি চন্দন দে মহাশয়। এছাড়াও রয়েছে বিশ্বজিৎ দাসগুপ্ত ও সংগঠনে সমস্ত সদস্যবৃন্দরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট মানুষজনেরা। ছোট হলেও অনুষ্ঠানটি ছিল দেখার মত। ছোট বড় প্রত্যকে নাচ, গান ছিল অসাধারণ। সাথে ছিল খাওয়া, দাওয়া। তবে বিশিষ্ট মানুষজনেদের উপস্থিত হয়ে উঠে ছিল এক নতুন চমক।

মানা দেবী সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনে উদ্যোগে দোল উদযাপন

Image
দোলযাত্রা হিন্দু বৈষ্ণবদের উৎসব। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিন শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা এবং তার সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি। এ কারণে দোলযাত্রার দিন এ মতের বিশ্বাসীরা রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ আবিরে রাঙিয়ে দোলায় চড়িয়ে নগর কীর্তনে বের হন। দোলযাত্রা বা হোলি হলো একটি প্রধান হিন্দু উৎসব, যা বসন্ত, প্রেম এবং রঙের উৎসব নামেও পরিচিত ৷ এই উৎসবের মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণের শাশ্বত ও ঐশ্বরিক প্রেম উদযাপন করা হয়। হোলিকা দহন অশুভ শক্তির বিপরীতে শুভ শক্তির জয় নির্দেশিত করে। এটির উৎপত্তি ভারতীয় উপমহাদেশে হওয়ায় সেখানে বেশি উদযাপিত হয়, তবে দক্ষিণ এশীয় প্রবাসীদের মাধ্যমে এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল এবং পশ্চিমা বিশ্বের বেশকিছু অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। হোলি ভারত উপমহাদেশে বসন্তের আগমন, শীতের অবসান এবং প্রেমের প্রস্ফুটনকে চিহ্নিত করে। এটি একটি শুভ বসন্তকালীন ফসলের জন্য প্রার্থনার উৎসবও বটে। হোলি এক রাত ও এক দিন ধরে পালিত হয়, শুরু হয় পূর্ণিমার সন্ধ্যায়, যা হিন্দু বর্ষপঞ্জির ফাল্গুন মাসে পড়ে। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী এটি সাধারণত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে আসে। বসন্...

সোমবার ৫১ নং গণেশ পুজো কমিটি পরিচালনা বসন্ত উৎসব

Image
বসন্ত উৎসব বসন্ত উৎসব, যা সাধারণত ফাল্গুন মাসের শুরুতে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়, হলো প্রকৃতির নতুন প্রাণের আগমনী বার্তা। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে গাছে নতুন পাতা, ফুলে ও কোকিলের ডাকে এই উৎসব বরণ করে নেওয়া হয়। এটি বাঙালি ও ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব, যা শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রসংগীত ও নৃত্য, এবং রঙ বা আবির খেলার মাধ্যমে রাঙিয়ে তোলা হয়। প্রকৃতি ও রূপ: শীতের অবসানের পর প্রকৃতি নতুন রূপে সেজে ওঠে। পলাশ, শিমুল ফুলে ভরে ওঠে চারপাশ, প্রকৃতি হয়ে ওঠে রঙিন। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীনকালে এটি 'মদনোৎসব' হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে ১৯০৭ বা ১৯২৩ সাল থেকে প্রবর্তিত বসন্ত উৎসবই সবচেয়ে জনপ্রিয়। উদ্‌যাপন: মানুষ হলুদ বা বসন্তী রঙের পোশাক পরে এবং একে অপরকে আবির মাখিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেয়। নাচ, গান ও কবিতার মাধ্যমে বসন্তকে বরণ করা হয়। সাংস্কৃতিক তাৎপর্য: এটি আনন্দের ঋতু, যেখানে মানুষ সকল বিষাদ ভুলে নতুন প্রাণের ছন্দে মেতে ওঠে। এটি ভালোবাসার উৎসব হিসেবেও পরিচিত। বসন্ত উৎসব আসলে প্রকৃতির সাথে মানুষের মেলবন্ধনের উৎসব, যা মনের সব ক্লান্...

তিলজালা ব্লু স্টার স্পোটিং ক্লাবে পরিচালনা আয়োজিত হল ইফতার পার্টি অনুষ্ঠান

Image
ইফতার (আরবি: إفطار ইফ্‌ত্বার্) হলো রমজান মাসে মুসলিমদের দ্বারা পালিত একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় আচার। এটি সূর্যাস্তের পরে রোজা ভাঙার জন্য একটি খাবার। ইফতার সাধারণত একটি হালকা খাবার দিয়ে শুরু হয়, যেমন খেজুর বা পানি। এর পরে, আরও ভারী খাবার পরিবেশন করা হয়, যেমন ফল, শাকসবজি, সালাদ, ডাল, ভাত, রুটি, এবং মিষ্টি ইত্যাদি। খেজুরের মাধ্যমে ইফতার শুরু করা সুন্নত। ইফতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার। এটি মুসলিমদের সারাদিনের রোজা ভাঙার এবং একসাথে খাওয়ার একটি উপলক্ষ। এটি আত্মত্যাগ, ধৈর্য, এবং সহানুভূতির শিক্ষা দেয়। এটি মুসলিমদের সারাদিন রোজা রাখার পরে পুনরুজ্জীবিত হতে সাহায্য করে। এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানও যা পরিবার এবং বন্ধুদের একত্রিত করে। ইউনেস্কো ২০২৩ সালে মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় রীতি ইফতারকে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আওতাভুক্ত করে। ইউনেস্কোর ভাষায়, ইফতার (ইফতারি কিংবা ইফতর হিসেবেও পরিচিত) রমজান মাসে সব ধরনের ধর্মীয় বিধান মানার পর সূর্যাস্তের সময় মুসলিমদের পালনীয় রীতি। সংস্থাটি মনে করে, এই ধর্মীয় রীতি পরিবার ও সমাজিক বন্ধন দৃঢ় করে এবং দান, সৌহার্দ্যের মতো বিষয়গুলোকে সামনে...