Posts

তিলজালা ব্লু স্টার স্পোটিং ক্লাবে পরিচালনা আয়োজিত হল ইফতার পার্টি অনুষ্ঠান

Image
ইফতার (আরবি: إفطار ইফ্‌ত্বার্) হলো রমজান মাসে মুসলিমদের দ্বারা পালিত একটি ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় আচার। এটি সূর্যাস্তের পরে রোজা ভাঙার জন্য একটি খাবার। ইফতার সাধারণত একটি হালকা খাবার দিয়ে শুরু হয়, যেমন খেজুর বা পানি। এর পরে, আরও ভারী খাবার পরিবেশন করা হয়, যেমন ফল, শাকসবজি, সালাদ, ডাল, ভাত, রুটি, এবং মিষ্টি ইত্যাদি। খেজুরের মাধ্যমে ইফতার শুরু করা সুন্নত। ইফতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার। এটি মুসলিমদের সারাদিনের রোজা ভাঙার এবং একসাথে খাওয়ার একটি উপলক্ষ। এটি আত্মত্যাগ, ধৈর্য, এবং সহানুভূতির শিক্ষা দেয়। এটি মুসলিমদের সারাদিন রোজা রাখার পরে পুনরুজ্জীবিত হতে সাহায্য করে। এটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানও যা পরিবার এবং বন্ধুদের একত্রিত করে। ইউনেস্কো ২০২৩ সালে মুসলিমদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় রীতি ইফতারকে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আওতাভুক্ত করে। ইউনেস্কোর ভাষায়, ইফতার (ইফতারি কিংবা ইফতর হিসেবেও পরিচিত) রমজান মাসে সব ধরনের ধর্মীয় বিধান মানার পর সূর্যাস্তের সময় মুসলিমদের পালনীয় রীতি। সংস্থাটি মনে করে, এই ধর্মীয় রীতি পরিবার ও সমাজিক বন্ধন দৃঢ় করে এবং দান, সৌহার্দ্যের মতো বিষয়গুলোকে সামনে...

মঙ্গলবার আঙ্গিকে পরিচালনায় আয়োজিত হল এক সুন্দর নৃত্য অনুষ্ঠান

Image
নৃত্য শিল্পী হলেন এমন ব্যক্তি যিনি নান্দনিক এবং প্রতীকী অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে শরীরের নড়াচড়া ব্যবহার করে নৃত্য পরিবেশন করেন, যা একটি শিল্প রূপ । এই শিল্পীরা ভরতনাট্যম, কত্থক, কথাকলি, মণিপুরী, কুচিপুড়ি এবং ওডিসির মতো শাস্ত্রীয় ধারার পাশাপাশি লোকনৃত্য বা আধুনিক নৃত্য পরিবেশন করেন । উল্লেখযোগ্য ভারতীয় নৃত্যশিল্পীদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন ঘরানার বিশেষজ্ঞ । নৃত্য শব্দটি সাধারণত শারীরিক নড়াচড়ার প্রকাশভঙ্গীকে বোঝায়। এ প্রকাশভঙ্গী সামাজিক, ধর্মীয় কিংবা মনোরঞ্জনের ক্ষেত্রে দেখা যায়। গীতবাদ্যের ছন্দে অঙ্গভঙ্গির দ্বারা মঞ্চে চিত্রকল্প উপস্থাপনের ললিত কলাই নৃত্য বা নাচ। নৃত্য শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখে। নৃত্যকলার সংজ্ঞা নির্ভর করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নন্দনতত্ত্বিক, শৈল্পিক এবং নৈতিক বিষয়ের উপর। এই আন্দোলনের নান্দনিক এবং প্রতীকী মূল্য আছে। নৃত্যকে বিভিন্নভাবে শ্রেনীবিভাগ করা যায়। কোরিওগ্রাফি, আন্দোলনের ধরন, ঐতিহাসিক সময়কাল বা উৎপত্তিস্থল উল্লেখযোগ্য। যদিও থিয়েটার ও সামাজিক নৃত্যকে সবসময় আলাদা শ্রেণীতে ভাগ করা হয় না, তবুও এর উদ্দেশ্যে বিশেষ পার্থক্য রয়েছে। প্রাচীন মানুষের ছেড়ে ...

আঞ্জুমান তারাক্কি উর্দু হিন্দ (পশ্চিমবঙ্গ) উদ্যোগে আয়োজিত হল একটি সুন্দর অনুষ্ঠান

Image
১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস অধিবেশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় ও এতে ১৮৮টি দেশ সমর্থন জানালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দিবসটি জাতিসংঘের সদস্যদেশসমূহে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।আজ ২১ ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষার জন্য আত্মত্যাগের এক অনন্য ইতিহাস বহন করে এই দিনটি, যা বাঙালির গর্ব ও অহংকারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।ভাষা হল নিজেকে প্রকাশের মাধ্যম। সেই ভাষা যদি জন্ম পরবর্তী সময় থেকে শিখে আসা ভাষা হয়, আমাদের পালনকারী মায়ের মুখের ভাষা হয়, তবে তার গুরুত্বই আলাদা। সেই ভাষাই হল আমাদের মাতৃভাষা। প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি পালিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। যার ইতিহাসে জড়িয়ে বাঙালির গর্ব, বাঙালির অহংকার। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় মাতৃভাষা আমাদের অহংকার, আমাদের গর্ব। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। সারা বিশ্বে জুড়ে আজকের এই দিনটি সাড়ম্বরে পালিত হয়। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে "আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থ...

পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা সমিতি উদ্যোগে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভাঘরে বৈঠক

Image
মানবাধিকার হলো মানুষের জন্মগত, সহজাত, এবং অবিচ্ছেদ্য অধিকার, যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা স্থান নির্বিশেষে প্রত্যেকের সম্মান ও স্বাধীনতার সাথে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য । রাষ্ট্র বা কোনো কর্তৃপক্ষ এগুলো দান করে না, বরং মানুষ হিসেবে জন্মের কারণেই এই অলঙ্ঘনীয় অধিকারগুলো অর্জিত হয় । এটি শোষন, নির্যাতন ও অবিচারের বিরুদ্ধে মানুষের সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে । মানবাধিকার অধিকার কেন মানবাধিকার হলো মানুষের জন্মগত, সহজাত, এবং অবিচ্ছেদ্য অধিকার, যা জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা স্থান নির্বিশেষে প্রত্যেকের সম্মান ও স্বাধীনতার সাথে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য । রাষ্ট্র বা কোনো কর্তৃপক্ষ এগুলো দান করে না, বরং মানুষ হিসেবে জন্মের কারণেই এই অলঙ্ঘনীয় অধিকারগুলো অর্জিত হয় । এটি শোষন, নির্যাতন ও অবিচারের বিরুদ্ধে মানুষের সুরক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে । মানবাধিকার কেন প্রয়োজন বা কেন এগুলো গুরুত্বপূর্ণ: মর্যাদা ও স্বাধীনতার সাথে বাঁচার জন্য: মানবাধিকার প্রতিটি মানুষের আত্মসম্মান, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিরাপদে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা প্রদান করে । সার্বজনীন নিরাপত্তা: জাতি, লিঙ্গ, ধর্ম বা জাতীয়তা নির্বিশেষে বিশ্বের সবার...

মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রথম দিনে পরীক্ষার্থী শুভেচ্ছা জানালেন সমাসেবী অলোক খাটুয়া

Image
আজ ২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হলো ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম এই বড় পরীক্ষা ঘিরে সকাল থেকেই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে তুঙ্গে ছিল ব্যস্ততা। পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের তুলনায় প্রায় ২ লক্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য দিক। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই পরীক্ষা। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে কলকাতা পুলিশ। পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়তা করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে লালবাজার। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে কোনও সমস্যায় পড়লে পরীক্ষার্থীরা হেল্পলাইন নম্বর- ৯৪৩২৬১০০৩৯-এ ফোন করতে পারবে। প্রয়োজনে পুলিশকর্মীরা সরাসরি সাহায্যে এগিয়ে আসবেন। পরীক্ষার্থী যদি বাড়িতে অ্যাডমিট কার্ড ফেলে আসেন বা দেরিতে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে, সে ক্ষেত্রেও পুলিশি সাহায্য মিলবে। এছাড়াও, পরীক্ষার সময় কোনও পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে অ্যাম্বুলান্স মোতায়েন থাকবে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সম...

লালবাহাদুর শাত্রী মিশন ফাউন্ডেশন ও জয় মাতা দি ভক্ত মন্ডল বটতলা স্ট্রিটে উদ্যোগে অনুষ্ঠান

Image
রক্তদান একটি গুরুত্বপূর্ণ উদারতার কাজ যা অসংখ্য জীবন বাঁচায়। অস্ত্রোপচার, ট্রমা কেয়ার, ক্যান্সারের চিকিৎসা এবং দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা পরিচালনার জন্য রক্ত ​​অপরিহার্য। এর গুরুত্ব সত্ত্বেও, অনেক অঞ্চলে রক্তের ক্রমাগত ঘাটতি দেখা দেয়, যার ফলে স্বেচ্ছায় দান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রক্তদানের মাধ্যমে, ব্যক্তিরা সরাসরি সেই রোগীদের সুস্থতায় অবদান রাখেন যাদের বেঁচে থাকার জন্য রক্ত ​​সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। সেভ দ্য হিউম্যানিটি এনজিও তাদের রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। এই শিবিরগুলি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য সংগঠনের বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ। এনজিও বিশ্বাস করে যে স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রক্তদানের মতো সম্মিলিত পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্তের চাহিদা সর্বজনীন। প্রতিদিন, হাসপাতালগুলিতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাজার হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। দুর্ভাগ্যবশত, ভারত সহ অনেক দেশ রক্তদাতার অভাবের কারণে রক্তের ঘাটতির সাথে লড়াই করছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এই অভাব পূরণ কর...

সোমবার সাম প্রেমিক নর্থ ডায়মন্ড সিটি পরিচালনায় খাটু শ্যামা বাবা জাগরণ

Image
খাটু শ্যাম বাবা হলেন ভগবান কৃষ্ণের কলিযুগ অবতার, যাঁর প্রধান মন্দির ভারতের রাজস্থানের সীকর জেলার খাটু গ্রামে অবস্থিত। মহাভারতের বর্বরীকের সাথে সম্পর্কিত, তিনি তাঁর আত্মত্যাগের জন্য পরিচিত এবং প্রায়শই 'কুলদেবতা' বা 'হারে কা সাহারা' (পরাজিতের আশ্রয়দাতা) নামে পূজিত হন । এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত আসেন, বিশেষ করে ফাল্গুন মেলায়। রাজস্থানের সীকর জেলা, খাটু গ্রাম। সম্পর্ক: তিনি মহাভারতের বীর বর্বরীকের (ভীম এবং হিড়িম্বার পৌত্র) অবতার, যিনি ভগবান কৃষ্ণকে নিজের মস্তক দান করেছিলেন। নামের তাৎপর্য: ভগবান কৃষ্ণ বর্বরীকের আত্মত্যাগে খুশি হয়ে তাঁকে কলিযুগে নিজের নামে (শ্যাম) পূজিত হওয়ার বরদান দিয়েছিলেন । পূজা: ভক্তরা তাঁকে 'শীশ কে দানী', 'মোরবিন', 'লখদাতারি' নামেও ডেকে থাকেন। বিশেষ আকর্ষণ: ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা বা হোলির সময় এখানে বিশাল মেলা বসে।খাটু শ্যাম বাবা হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত বিশ্বাসী এবং ভক্তদের কাছে পরম শ্রদ্ধেয়। প্রজাতন্ত দিবসে দিনে সাম প্রেমিক নর্থ ডায়মন্ড সিটি দ্বারা আয়োজিত হল খাটু শ্যামা বাবা জাগরণ অনুষ্ঠান। সাথে ছিল ভুরিভো...