গৌ সন্মান আহ্বান অভিযান ২০২৬ শে হতে চলেছে
ভারতে গো-হত্যা বন্ধের দাবির পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো ধর্মীয় বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং অর্থনৈতিক উপকারিতা। হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে গরু পবিত্র ও 'গোমাতা' হিসেবে পূজনীয়, তাই ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করতে এবং গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে দুধ ও গোবরের অবদানের কারণে একে রক্ষার কথা বলা হয়। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস: হিন্দু ধর্মে গরুকে গোমাতা হিসেবে গণ্য করা হয় এবং শাস্ত্রে গো-হত্যা মহাপাপ বলে উল্লেখ রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে কৃষিকাজে, সার হিসেবে গোবর এবং দুধের যোগানদাতা হিসেবে গরুর ভূমিকা অপরিসীম। জীবন্ত গরু অর্থনৈতিকভাবে মৃত গরুর চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। ভারতীয় সংস্কৃতিতে অহিংসা পরম ধর্ম। গরু একটি শান্ত ও উপকারী প্রাণী, তাই পশুকুরতা বিরোধী মনোভাব থেকে এদের হত্যা বন্ধের দাবি তোলা হয়। পেটা (PETA) এবং অন্যান্য প্রাণী সুরক্ষা গোষ্ঠীগুলো জবাইখানায় পশুকুরতার কারণে গো-হত্যা পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে, গো-মাংস ভক্ষণ, চামড়া শিল্প এবং কৃষকের মৃত বা বৃদ্ধ গরু বিক্রি করে আর্থিক সংস্থান করার বিষয়গুলো গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে মত দেয় ...