Posts

Showing posts from May, 2026

ওয়েষ্ট বেঙ্গল এফ পি এস ডিলারগণের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে যৌথ মঞ্চ গঠনের বৃহত্তর সমাবেশ

Image
কম কমিশন, ই-পস মেশিনে নেটওয়ার্কের সমস্যা এবং খাদ্যসামগ্রী মজুতে ঘাটতির জরিমানার ভয়ে রেশন ডিলারদের অবস্থা বর্তমানে বেশ শোচনীয়। পর্যাপ্ত আয় না হওয়ায় এবং পরিকাঠামোগত খরচের চাপে অনেকেই আর্থিকভাবে চরম সংকটে রয়েছেন। ডিলাররা যে পরিমাণ খাদ্যশস্য বণ্টন করেন, তার বিপরীতে সরকারি কমিশন অত্যন্ত সামান্য। যেসব ডিলার শুধুমাত্র রেশনের দোকান চালান, তাদের পক্ষে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) মিলিয়ে রেশন দেওয়ার জন্য যে ই-পস (e-POS) মেশিন রয়েছে, তার ধীরগতি ও সার্ভারের সমস্যা নিত্যদিনের বাধা। সার্ভার ডাউনের কারণে গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং প্রায়ই ডিলারদের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। ই-পস মেশিনের হিসাবে সামান্য গরমিল বা চাল-গম ওজনে কম হলে খাদ্য দপ্তরের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হয়। অনেক সময় গুদামের ঘাটতি মেটাতে গিয়ে পকেট থেকে টাকা দিতে হয়। বিদ্যুতের বিল, দোকানের ভাড়া, কর্মচারীর বেতন এবং আনাজপত্র বা বস্তা বহনের খরচ ডিলারদের নিজেদের বহন করতে হয়, যার তুলনায় আয় অপ্রতুল। অনেক সময় কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের নিয়মের কারণে গ্রাহকরা ঠিকমতো রেশন পান না, যার জন্য সরাসরি ডিলা...

ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামে ব্লাডার ক্যানসার জয়ীদের একত্র করল মণিপাল হাসপাতাল, ইএম বাইপাস

Image
কলকাতা, ২৩ মে ২০২৬: কলকাতার ঐতিহাসিক ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের শান্ত ও ঐতিহ্যময় পরিবেশে ভয়কে হার মানিয়ে শোনা গেল সাহস, লড়াই এবং নতুন জীবনের গল্প। ব্লাডার ক্যানসার অ্যাওয়ারনেস মাস উপলক্ষে মণিপাল হাসপাতাল, ইএম বাইপাস আয়োজন করেছিল একটি বিশেষ ‘ব্লাডার ক্যানসার চ্যাম্পিয়ন্স’ মিট’, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্লাডার ক্যানসার থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগী, তাঁদের পরিবার, চিকিৎসক এবং সেবাকর্মীরা। এই অনুষ্ঠান শুধু রোগমুক্তির গল্পই নয়, বরং এক কঠিন অসুখের বিরুদ্ধে মানুষের অসাধারণ মানসিক শক্তি ও ইতিবাচক মনোভাবের উদযাপন হয়ে উঠেছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. অভয় কুমার, ডিরেক্টর – ইউরোলজি এবং ইউরো-অঙ্কোলজি, মণিপাল হাসপাতাল, ইএম বাইপাস; ডা. সায়ন ভট্টাচার্য, ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, কলকাতা (সংস্কৃতি মন্ত্রক, ভারত সরকার) এবং অন্যান্য সিনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক স্থানটি পরিণত হয়েছিল অনুভূতি, সাহস এবং সচেতনতার এক বিশেষ মঞ্চে, যেখানে ব্লাডার ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা এবং সময়মতো রোগ নির্ণয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ভারতে ব্লাডার ক্যানসারের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। ২০২৬ সালে দেশে প্রতি বছর প্র...

গোয়ালবাটি যুবচক্র ক্লাবে তালা বৈশাখী মেলা বন্ধ হওয়া নিয়ে বিধায়কে প্রশ্ন সাংবাদিকদের

Image
উত্তর সোনারপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গোয়ালবাটী এলাকার ঐতিহ্যবাহী ও অরাজনৈতিক সংগঠন “গোয়ালবাটী যুবচক্র ক্লাব” দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নিজেদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে ক্লাবটি এলাকার বহু প্রতিভাবান শিশু-কিশোরকে ফুটবল, ক্রিকেট ও ক্যারাটে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিয়েছে। প্রায় ৩০০-এরও বেশি শিশু নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের স্বপ্ন গড়ার পথে এগিয়ে চলেছিল এই ক্লাবের হাত ধরেই। শুধু খেলাধুলা নয়, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলার আয়োজনের মধ্য দিয়ে গোয়ালবাটী যুবচক্র ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। কিন্তু হঠাৎ রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে অনিশ্চয়তার ছায়া নেমে আসে ক্লাব ও এলাকার মানুষের জীবনে। অভিযোগ, আচমকাই গেরুয়া পতাকা টাঙিয়ে বন্ধ হয়ে যায় বহু বছরের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলা। এর প্রভাব শুধু সংস্কৃতির ওপরই পড়েনি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের রুজি-রোজগারও। সবচেয়ে...

৮০ নং ওয়ার্ড টানস্পর ডেপু রোডে বিজেপি কার্যালয়ে শুক্রবার মাছ ভাতে আয়োজন করা হল

Image
বিজেপি জেতার পর কোথায় কোথায় মাছ ভাত খাওয়ানো হল বিজেপির বিভিন্ন জয়ের পর রাজ্যজুড়ে কর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য মাছ-ভাত খাওয়ানোর উৎসব বা বিজয়ী ভোজের আয়োজন করা হয়। উল্লেখযোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:কলকাতা: দলের রাজ্য সদর দফতর এবং জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের জন্য জাঁকজমকপূর্ণভাবে মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয়, যেখানে দলের শীর্ষ নেতারাও অংশ নেন।হুগলি: শ্রীরামপুরের প্রভাস নগরে রাজ্য সরকার গঠনের প্রাক্কালে বিজেপি কর্মীদের জন্য মাছ-ভাত খাওয়ানোর উৎসব পালিত হয়।দক্ষিণ দিনাজপুর: বালুরঘাটে বিজেপির জয়ের আনন্দে প্রায় ১২০০ মানুষকে মাছ-ভাত খাওয়ানো হয়।পশ্চিম বর্ধমান: জামুরিয়ায় বিজয় শোভাযাত্রা শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য প্রীতিভোজ হিসেবে মাছ-ভাত পরিবেশন করা হয়। রাজ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন বিজেপি ক্ষমতা এলে বাঙলি মাছ, মাংস খাওয়া আর হবে না । তারই পরিপ্রেক্ষিতে শমিক ভট্টাচার্য বলেছিলেন বিজেপি যেদিন জিতবে বাংলায়,তারপরই সবাইকে মাছ ভাত খাওয়ানো হবে। শুক্রবার ৮০নং ওয়ার্ড টান্সপর ডেপু রোডে। বিজেপি কার্যালয়ে সমস্ত মানুষকে পেট ভরে মাছ ভাত খাওয়ানো আয়োজন করা হল।তব...

দেশের প্রশাসনিক আইন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সামনে বক্তব্য রাখলেন সৈয়দ ইরফান শের

Image
মানুষ জেনে শুনে রাস্তায় নামাজ পড়ে না। তবে হা এটা লিগ্যাল নয়। মজিদে যারা আছে তাঁদের উচিত ম্যানেজমেন্ট টা ঠিক ঠাক রাখা। এমনটাই বলেন সৈয়দ ইরফান শের। তিনি আরও বলেন কোনো একটা কমিটি কে সাপোর্ট দেওয়া জন্য ভাতা দেওয়া উচিত নয়। যদি দিতে হয় সবাইকেই দাও, না হলে দিও না। তবে আইন অনুসারে ভাতা দেওয়া উচিত। এর পাশাপাশি তিলজোলা ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সামনে মুখ খুলেন তিনি বলেন তিলজলা যে ঘটনাটি হয়েছে সেটি দুর্ভাগ্য জনক। তবে বুলডোজার চালানো কে তিনি সমর্থন করলেন না। সৈয়দ ইরফান শের বলেন প্রশাসনের উচিত আইন মেনে কাজ করা। হঠাৎ করে বেআইন বলে নোটিশ না দিয়ে কাউকে বলার কোনো সুযোগ না দিয়ে এই ধরনের কাজ করা ঠিক না। এই কাজ গুলো করতে যারা সহযোগিতা করেছে তাঁদের কে শাস্তি দেওয়া উচিত। অসহায় মানুষ ওপর বুলডোজার।

লেক টাউন পোস্ট অফিসে সামনে ঝালমুড়ি উৎসব

Image
পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়ার মুহূর্তটি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এই সাদামাটা এবং স্থানীয় স্ট্রিট ফুড খাওয়ার ঘটনাটি মানুষের মাঝে বিপুল উন্মাদনা ও সেলিব্রেশনের সৃষ্টি করে। পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে একটি জনসভা করার পর, প্রধানমন্ত্রী মোদী সটান রাজকলেজ মোড়ের একটি সাধারণ ঝালমুড়ির দোকানে চলে যান। তিনি নিজে হাতে ১০ টাকা দিয়ে ঝালমুড়ি কেনেন এবং অত্যন্ত আগ্রহের সাথে তা খান। তাঁর এই সাধারণ মানুষের মাঝে মিশে যাওয়ার মুহূর্তটি লোকজনের মনে দারুণ উচ্ছ্বাস তৈরি করে। নেদারল্যান্ডসেও এর রেশপরবর্তীতে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে ভারতীয় প্রবাসীদের সাথে আলাপচারিতার সময়ও প্রধানমন্ত্রী মোদী পশ্চিমবঙ্গের এই বিখ্যাত 'ঝালমুড়ি' এবং নির্বাচনী প্রচারের প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি যখন প্রবাসীদের কাছে রসিকতা করে জানতে চান, "Kya Jhalmuri Yaha Bhi Pahunch Gai?" (ঝালমুড়ি কি এখানেও পৌঁছে গেছে?), তখন উপস্থিত জনতা করতালি ও হাসির মাধ্যমে তা দারুণভাবে সেলিব্রেট করে। পশ্চিমবঙ্গে ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝা...

বৈশালী পার্ক, দোলতলা, রাজপুর চন্ডী মাতার বাৎসরিক পুজো হল রবিবার

Image
বিপত্তারিণী পুজো হলো মা দুর্গার (পার্বতী) ১০৮ অবতারের অন্যতম এক রূপ, যা প্রধানত আষাঢ় মাসে রথযাত্রা ও উল্টো রথের মধ্যবর্তী মঙ্গল বা শনিবার করা হয় । সংসার, স্বামী ও সন্তানের যাবতীয় বিপদ থেকে মুক্তি এবং পরিবারের মঙ্গল কামনায় মহিলারা নিষ্ঠাভরে এই ব্রত পালন করেন। বিপদ থেকে রক্ষা: 'বিপত্তারিণী' শব্দের অর্থ যিনি বিপদ থেকে উদ্ধার করেন । জীবনের নানা সংকট ও জটিলতা থেকে ত্রাণ পেতে এই পুজো করা হয় ।পৌরাণিক কাহিনি: জনশ্রুতি আছে, মল্লভূমের (বিষ্ণুপুর) রাজা যখন জানতে পারেন রানী তাঁর চর্মকার বান্ধবীর বাড়িতে 'গোমাংস' (মতান্তরে নিষিদ্ধ খাবার) দেখেছেন, তখন তিনি রেগে যান । রানী তখন দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন এবং দেবী সেই নিষিদ্ধ মাংসকে লাল জবা ফুলে পরিণত করে রানীর মান রক্ষা করেন । এই বিশ্বাস থেকেই ১৩টি গাঁট দেওয়া লাল সুতো ধারণ করা হয় ।পরিবারের নিরাপত্তা: সন্তান ও স্বামীর দীর্ঘায়ু এবং সংসারের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে মহিলারা এই পূজা ও ব্রত পালন করেন ।এই পুজোয় ১৩ রকমের নৈবেদ্য এবং ১৩টি গাঁট বিশিষ্ট লাল সুতো (রাখাসূত্র) দেবীকে অর্পণ করে তা হাতে ধারণ করা হয়। রবিবার বিপদত্তারিণী ...