ব্ল্যাক কফি ২.০ সিনেমা মিউজিক লঞ্চ রবিবার কলকাতাতে
এস এস মোশন্স প্রযোজিত ব্ল্যাক কফি ২.০
সিনেমা মিউজিক লঞ্চ হল রবিবার কলকাতাতে। ছবি টি পরিচালক সৌগত ঘোষ। সং, লিরিক্স ও কম্পোস করেছে সৌভিক ভট্টাচার্য। অভিনয় করেছেন নবাগত ছেলে মেয়েরা। কথা ছিল বাকি, গান টি এই দিন লঞ্চ হয় । উপস্থিত ছিল এই সিনেমার কলাকুশলীরা। এই দিন সবাই সবার এক্সপীড়িয়েন্স শেয়ারে মধ্যে দিয়ে সংবাদ মাধ্যম কে জানায় সিনেমা টা করতে তাঁদের কত ভালো লেগেছে। এছাড়া তাঁদের কত পরিশ্রম হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে জানা যায়। এই সিনেমা টি দর্শকদের কাছে এক নতুন মাথায় পৌঁছাবে। সবার দেখার মতো এই সিনেমা। ১৩ নভেম্বর সিনেমা টি উত্তম মঞ্চে মুক্তি পেতে চলেছে। ২০২৬ সালে টলিউড বা বাংলা সিনেমা শিল্প একটি মিশ্র ও রূপান্তরকালীন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
একদিকে যেমন বড় বাজেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি ছবি এবং কিছু উৎসব-কেন্দ্রিক সিনেমা বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাফল্য পাচ্ছে, অন্যদিকে মাঝারি ও ছোট বাজেটের ছবিগুলো প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানতে বেশ বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। সেরা সফল ছবি: চলতি বছর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের উইন্ডোজ প্রোডাকশনের উইন্ডোজ প্রোডাকশনের 'বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু' (Bohurupi: The Golden Daku)। সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রায় ২৫ কোটি টাকার (India Net) ব্যবসা করে ইতিহাস গড়েছে। • এছাড়া 'দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র' (The Eken: Kerala-e-Kurukshetra) প্রায় ১৪.১৭ কোটি টাকা এবং 'বিজয়নগরের হীরে' (Vijayanagarer Hirey) প্রায় ১১.৮৪ কোটি টাকার ব্যবসা করে সফল তালিকার ওপরের দিকে রয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত টলিউডের মোট বক্স অফিস কালেকশন প্রায় ৫৬-৬০ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু ছবি বাদ দিলে সামগ্রিক থিয়েটার মার্কেট বা প্রেক্ষাগৃহের ব্যবসা কিছুটা সংকুচিত হয়েছে, বিশেষ করে হিন্দি ও দক্ষিণী বিগ-বাজেট সিনেমাগুলোর তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে।
সাধারণ সিনেমা হলে এখনো দেব, প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী বা জিতের মতো বড় তারকাদের ছবিই সবচেয়ে ভালো ওপেনিং বা দর্শক এনে দিচ্ছে।• ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য টলিউডের গল্প বলার ধরন বদলেছে। তারকাদের চেয়ে সেখানে ভালো কনটেন্ট বা গল্পই আসল চালিকাশক্তি। অনির্বাণ ভট্টাচার্য, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় কিংবা ঋত্বিক চক্রবর্তীদের কাজ ওটিটিতে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত ও আলোচিত হচ্ছে। বছরের বিভিন্ন সময়ে বাংলা ছবির প্রাইম টাইম (Prime Time) এবং পর্যাপ্ত হল পাওয়া নিয়ে প্রযোজক ও হল মালিকদের মধ্যে টানাপোড়েন দেখা গেছে। টলিউডের স্ক্রিনিং কমিটি নিয়মিত বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যাতে সারা বছর জুড়ে সমানভাবে বাংলা ছবি রিলিজ করা যায় এবং উৎসবের দিনগুলোতে হিন্দি ছবির দাপটে বাংলা ছবি যেন কোণঠাসা না হয়ে পড়ে।



Comments