৫১০০ কণ্ঠে গীতা পাঠ এবং ২১ বার হনুমান চল্লিষা পাঠ আয়োজিত করলেন বড় বাজার জয় মাতা দি সমিতি

মঙ্গলবার ৫হাজার ১০০ কণ্ঠে গীতা পাঠ ও ২১ বার হনুমান চল্লিষা পাঠ আয়োজন করলেন বড় বাজার জয় মাতা দি সমিতি। সহযোগিতা সনাতন সংস্কৃতিক সংসদ। অনুষ্ঠানে অধ্যাক্ষ কমল সিংহ। মহা সচিব সচিন ত্রিপাটি, উপাধ্যক্ষ প্রকাশ দুগ্গড়, জিতেন্দ্র তোদী, মধুকান্ত মিশ্রা, বিমলেন্দু সিংহ। চেয়ারম্যান বিকাশ মাধোগড়িয়া,সুনীল তোদী মুখ্য সংরক্ষক অরিজিৎ ভৌমিক এছাড়াও আরও অনেকের প্রচেষ্ঠায় অনুষ্ঠানটি করা সম্ভব হয়। এটি আয়োজিত রবীন্দ্র কানন পার্ক, কোম্পানি বড়া বাগান। অনুষ্ঠান টি শুভ সূচনা হয় শ্রী কার্তিক মহারাজের হাত দিয়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহু সাধু সন্তরা এবং বিশিষ্ট মানুষজনেরা। যা ছিল দেখার মত। তবে এই অনুষ্ঠানের পর ভোগ খাওয়ানোরও ব্যবস্থা করা হয়ে ছিল। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা কেবল একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ও মানসিক শান্তির একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। মানুষের জীবনে গীতার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম, কারণ এটি জীবনের প্রতিটি জটিল পরিস্থিতিতে সঠিক পথ দেখায়।
কর্তব্য ও ধর্ম পালন: গীতা আমাদের শেখায় কোনো ফল বা পুরস্কারের আশা না করে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করতে (কর্মযোগ)। মানসিক শান্তি ও স্থৈর্য: জীবনের সুখ-দুঃখ, জয়-পরাজয় কিংবা সফলতা-ব্যর্থতায় মনকে শান্ত ও সমাহিত (সমত্ব) রাখতে গীতার জ্ঞান দারুণভাবে সাহায্য করে। সন্দেহ ও ভয় দূর করা: অর্জুনের মতো আমাদের মনেও জীবনে নানা দ্বিধা ও ভয় আসে। গীতা পাঠ বা এর শিক্ষা শোনার মাধ্যমে মানুষের ভেতরের ভীরুতা কেটে যায় এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। জীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুধাবন: মানুষ শুধু বেঁচে থাকার জন্য জন্মায়নি, বরং নিজের প্রকৃত সত্তাকে চেনার এবং আত্মিক উন্নতির পথ খুঁজে পাওয়ার দিশা দেয় গীতা। ক্রোধ ও লোভ নিয়ন্ত্রণ: মানুষের জীবনে অশান্তির মূল কারণ হলো অতিরিক্ত লোভ, কাম ও ক্রোধ। গীতা আমাদের ইন্দ্রিয় সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখায়।

Comments

Popular posts from this blog

ওয়েষ্ট বেঙ্গল এফ পি এস ডিলারগণের জীবন ও জীবিকার স্বার্থে যৌথ মঞ্চ গঠনের বৃহত্তর সমাবেশ

শুক্রবার সৌরভ ভেঞ্চার এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত ইমামদার সিনেমা পোস্টার লঞ্চ হল

নীহারিকা সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টসে সরস্বতী পুজো