নাভয়ুক নাগরিক সংঘ কলকাতা-১ গণেশ পুজো এবারে এক রকমভাবে পুজো হতে চলেছে
নাভয়ুক নাগরিক সঙ্ঘ কলকাতা-১ এ গণেশ পুজো অতি ধুমধাম করে পালিত হতে চলেছে। কয়েক দিন ধরে চলবে পুজো পাশাপাশি নানা ধরনের সাধারণ মানুষরে পরিষেবা মূলক কাজ। ইজারা স্ট্রিটে এই পুজো অতি জনপ্ৰিয় হয়ে উঠেছে প্রতি বছর। এই পুজো উদ্যোগে রয়েছে বান্টি আগরয়াল,পবন পান্ডে,কুশল পান্ডে,প্রকাশ সিং,ওঁম প্রকাশ শাউ সহ আরও অনেকে। হিন্দু ধর্মে যে কোনো শুভ কাজের শুরুতে এবং সমস্ত দেবতার আগে বিঘ্ননাশক ও জ্ঞানদাতা শ্রী গণেশ পুজো করা হয় যাতে সমস্ত বাধা দূর হয় এবং কাজটি সফল হয়। বিঘ্ন বিনাশক: ভগবান গণেশকে 'বিঘ্নহর্তা' বলা হয়। তিনি মানুষের জীবন ও কাজের সমস্ত বাধা ও বিপত্তি দূর করেন।
শুভ সূচনা: যে কোনো নতুন কাজ, ব্যবসা শুরু বা পূজানুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি মঙ্গল ও ইতিবাচক শক্তির প্রতীক।জ্ঞান ও প্রজ্ঞা: তিনি বুদ্ধিমত্তা ও জ্ঞানের দেবতা। তাঁর আরাধনা করলে মন স্থির হয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে।সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য: গণেশের কৃপায় পরিবারে সুখ, শান্তি, ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধি আসে। পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, একসময় দেবতারা ঠিক করেন কার পুজো সবার আগে হবে। তখন ঠিক হয় যিনি পুরো বিশ্ব প্রদক্ষিণ করে সবার আগে ফিরবেন, তিনিই প্রথম পূজ্য হবেন। কার্তিক ময়ূরে চড়ে বিশ্ব ভ্রমণে বের হলেও, বুদ্ধিমান গণেশ তাঁর পিতা শিব ও মাতা পার্বতীকে প্রদক্ষিণ করেন। তিনি জানান, পিতা-মাতাই তাঁর কাছে সমগ্র বিশ্ব। এই ভক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে আশীর্বাদ করেন যে, যে কোনো পূজায় সবার আগে গণেশের পুজো হবে।


Comments