৫১ পল্লী গণেশ পুজো কমিটি, গণেশ পুজো শুভ উদ্ভোধন হল শনিবার
৫১ পল্লী গনেশ পুজো কমিটি,গণেশ পুজো শুভ উদ্ভোধন হল শনিবার। শুভ উদ্ভোধন হল বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠকের হাত দিয়ে। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট মানুষ জনেরা। শুধু তাই নয় উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে পাশাপাশি ছোট ছোট বাচ্ছাদের ছিল নাচ গান একটি সুন্দর অনুষ্ঠান। যা ছিল দেখার মত। তবে সমগ্র অনুষ্ঠানে উদ্যোগে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট রামেশ প্রসাদ, সেগেটারি সঞ্জিত কুমার সিং,জয়েন্ট সেগেটারি প্রেম নাথ ডুবে, রোহিত সিং, ট্রেজারার রাহুল সিং, জিতু দাস, উমাশঙ্কর দাস, সোমনাথ মন্ডল, এছাড়াও আরও অনেকে।
1 B, গোকুল বড়াল স্ট্রিট এ এই পুজো প্রতি বছরে ন্যায় এবছরও ধুমধাম করে পালিত হতে চলেছে। পুজো এক সপ্তাহ ধরে চলবে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান। গণেশ হলেন ‘প্রথম পূজ্য’ দেবতা। যে কোনও শুভ কাজ, বিদ্যাচর্চা বা বাণিজ্যের সূচনায় তাঁর আরাধনা বাধ্যতামূলক। পৌরাণিক বিশ্বাস মতে, পার্বতীর কায়মনোভাব থেকে সৃষ্টি গণেশের মস্তক শিবের ত্রিশূলে ছিন্ন হলে, পরবর্তীতে গজমুণ্ড সংযোগে তিনি পুনর্জীবন পান। ভাদ্রে তাঁর এই মর্ত্যে আগমন ও জন্মতিথিই গণেশ চতুর্থী নামে খ্যাত। ঐতিহাসিক তথ্য বলে, মারাঠা শাসক শিবাজীর সময় থেকে এই উৎসবের গুরুত্ব বাড়লেও ১৮৯৩ সালে লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক গণেশ পুজোকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে সর্বজনীন রূপ দেন।
হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে আবার শুরু হতে চলেছে গণপতি বাপ্পার আবাহন। শাস্ত্র ও বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে বিঘ্নহর্তার এই মহা উৎসব উদযাপিত হবে। বঙ্গীয় পুরোহিত সভার সভাপতি চণ্ডীচরণ হালদার জানিয়েছেন, বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকার গণনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থী পালিত হবে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার (২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ)। চতুর্থী তিথি আরম্ভ: ১৪ সেপ্টেম্বর, সকাল ৭ঃ০৬ মিনিটে। শাস্ত্রীয় বিধি ও পঞ্চোপচার পুজো শুভ মুহূর্তে বিঘ্নহর্তাকে গৃহে বা প্যান্ডেলে আবাহন করার সুনির্দিষ্ট কিছু শাস্ত্রীয় বিধান রয়েছে। প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও সংকল্প সর্বপ্রথমে গৃহ পরিশোধন করে বেদি সাজাতে হয়। পাত্রে গঙ্গা জল ও ফুল নিয়ে পুজোর সঙ্কল্প গ্রহণ করে প্রতিমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠা করার নিয়ম।



Comments