কলকাতা পৌর সংস্থা, বোরো ১৪, এবং যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া, পশ্চিমবঙ্গ সরকারে উদ্যোগে রাখি দিবস পালন
শুক্রবার রাখী বন্ধন উৎসব আয়োজিত হল বেহালা পদ্ম পুকুর রিকশা স্যান্ড এ সামনে। আয়োজক কলকাতা পৌর সংস্থা, বোরো ১৪ এবং যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া, পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সহযোগিতা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাখী বন্ধন উৎসব,ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব। রাষ্ট্রীবাদের বন্ধন। এই দিন সমস্ত মহিলারা পথচারী থেকে শুরু করে রিস্কশা চালক ও সাধারণ মানুষকে রাখী পড়ায়। এবং মিষ্টি মুখ করায়। অনুষ্ঠানটি ছিল দেখার মত। অনুষ্ঠানে উদ্যোগক্তা অমিতাভ চক্রবর্তী দক্ষিণ কলকাতা জেলার স্বাস্থ্য পরিষেবা সেলে কনভেনার, প্রীতম সরকার দক্ষিণ কলকাতা জেলার কালচেরায়ল সেলের কনভেনার, রূদ্র ভট্টাচার্য বেহালা পশ্চিম মন্ডলে সভাপতি। রাখী বন্ধন উৎসবের মূল মাহাত্ম্য হলো ভাই ও বোনের মধ্যকার পবিত্র ভালোবাসা, স্নেহ এবং সুরক্ষার বন্ধনকে উদযাপন করা। স্নেহ ও প্রীতিবন্ধন:
এই দিনে বোনেরা ভাইয়ের ডান হাতের কবজিতে ‘রাখী’ নামে একটি পবিত্র সুতো বেঁধে দেন এবং ভাইয়ের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। রক্ষার অঙ্গীকার: ভাইয়েরা বোনদের উপহার দেন এবং সারাজীবন তাদের বিপদে পাশে থাকার ও রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেন। সার্বজনীনতা: এই উৎসব শুধু রক্তসম্পর্কের ভাই-বোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং যে কোনো বন্ধু বা আত্মীয়ের মধ্যেও স্নেহের সম্পর্ক গড়ে তুলতে পালন করে। ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় নোবেলজয়ী কবি [রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর] বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে রাখীবন্ধন উৎসব পালন করেছিলেন।আপনি কি রাখী বন্ধনের পৌরাণিক ইতিহাস (যেমন কৃষ্ণ ও দ্রৌপদীর কাহিনী) সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চান?


Comments