দ্যা টুথ ক্লিনিক ড: হিমানীশ চক্রবর্তী ও মালবিকা চ্যাট্টার্জি, তুহিন রায়, কার্তিক মন্ডল, বরিস মুখার্জী পরিচালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুষ্ঠান বলতে সাধারণত বাংলা সাহিত্যের এই দুই দিকপালের সৃষ্টি, জীবন, ও দর্শন নিয়ে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা আলোচনা সভাকে বোঝায়। প্রতি বছর তাদের জন্মজয়ন্তী (রবীন্দ্রজয়ন্তী ও নজরুল জয়ন্তী) উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে নানান অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা: এই অনুষ্ঠানগুলোতে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, এবং তাদের কবিতা ও প্রবন্ধ পাঠ করা হয়।যুগলবন্দি: প্রায়শই দুই কবির গান ও কবিতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে বিশেষ পরিবেশনা বা নৃত্যনাট্য মঞ্চস্থ করা হয়।পারস্পরিক সম্পর্ক: বিভিন্ন আয়োজনে তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্পর্কের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা পড়েননি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে সবাই তো আর লেখাপড়া জানেন না। তাঁরা কী করে পড়বেন? না পড়লেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কোনো না কোনোভাবে প্রত্যেক বাঙালিই উপভোগ করেছেন। সহজ উদাহরণ হলো গান। বাংলাদেশের মানুষ ‘আমার সোনার বাংলা’ এই গানটা শোনেননি, এটা হতেই পারে না। তেমনি, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ’ গানটা শুনে চাঁদরাতে খুশি হয়ে ওঠেনি, এমন মানুষও এ দেশে খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল হবে।
'হৃদয়ে রবি চেতনায় নজরুল, রবিবার দ্যা টুথ ক্লিনিক দন্ত চিকিৎসক ড: হিমানীশ চক্রবর্তী ও পূজা ইনস্টিটিউট মালবিকা চ্যাট্টার্জি, তুহিন রায়, কার্তিক মন্ডল, বরিস মুখার্জী পরিচালনায় আয়োজিত হল এক সাংস্কৃতিক সুন্দর অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিশীলতা ও দর্শনের আলোকে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিকময় এই অনুষ্ঠান টি ছিল । অনুষ্ঠানটি ছিল খুবই সুন্দর দেখার মত। বড় ছোট, গান, নাচ দিয়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠে ছিল এক মাধুয্যময়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক শংঙ্কর সিকদার এছাড়াও উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট মানুষজনেরা।



Comments