প্রাক্তন বিধায়িকা রত্না চট্টোপাধ্যায়, রামের পুজো না করতে দেওয়ার অভিযোগ তুলো হেম চন্দ্র সিং নামে এক ব্যক্তি
এবার প্রাক্তন বিধায়িকা রত্না চট্টোপাধ্যায়, রামের পুজো না করতে দেওয়ার অভিযোগ তুলো হেম চন্দ্র সিং নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন,বেহালা ১৩১ নং ওয়ার্ড এয়ারপোর্ট রোড,নেয়ার কালচার মাঠে রাম কথা নামে একটি অনুষ্ঠান গত বছর করার কথা ছিল। এমন কি একটি মিটিং ও আমরা করি, সেই মিটিং এ রত্না দেবী সাফ জানিয়ে দেন। আমি হনুমানে ভক্ত কিন্তু এখানে রামের পুজো বা কোনো অনুষ্ঠান হবে না। জয় শ্রী রাম বলা যাবে না। তবে হেম চন্দ্র সিং এ বছর তার কথা কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রামের পুজো করতে চলেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন এবছর আমরা অনেক বড় করে রামের কথা করবো। কারো ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস রামের পুজোয় সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি, তবে রামনবমীর মতো উৎসব ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধ তৈরি হয়েছিল। বিরোধের মূল কারণ ছিল উৎসবের রাজনৈতিক ব্যবহার এবং রাজ্য সরকারের কিছু পদক্ষেপ। রামনবমীর মিছিলে অস্ত্র বা তলোয়ার নিয়ে প্রদর্শন বন্ধ করতে তৃণমূল সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল,
যার ফলে বিজেপিসহ বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অভিযোগ করে যে তাদের পুজো ও উৎসবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল যে তারা রাজ্যে সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক অটুট রাখতে নির্দিষ্ট একটি ধর্মের উৎসব (যেমন রামনবমী) পালনে বিধিনিষেধ আরোপ করে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মুসলিম তোষণ করছে। তৃণমূল নেতাদের দাবি ছিল, শ্রী রামচন্দ্র সকলের আরাধ্য দেবতা। কিন্তু বিজেপি রামনবমীকে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পরিণত করার চেষ্টা করায় এবং উন্মাদনা ছড়ানোয় তৃণমূল তাতে বাধা দিয়েছিল। পরবর্তীকালে জনরোষ ও রাজনৈতিক চাপের মুখে তৃণমূল কৌশল পরিবর্তন করে। নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে ও হিন্দুত্ববাদী দলগুলোর মোকাবিলা করতে তৃণমূল নেতারাও বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে রামনবমীর পুজো এবং বিভিন্ন শোভাযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন।


Comments