মানা দেবী সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনে উদ্যোগে দোল উদযাপন
দোলযাত্রা হিন্দু বৈষ্ণবদের উৎসব। বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিন শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে রাধিকা এবং তার সখীদের সঙ্গে আবির খেলেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি। এ কারণে দোলযাত্রার দিন এ মতের বিশ্বাসীরা রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ আবিরে রাঙিয়ে দোলায় চড়িয়ে নগর কীর্তনে বের হন। দোলযাত্রা বা হোলি হলো একটি প্রধান হিন্দু উৎসব, যা বসন্ত, প্রেম এবং রঙের উৎসব নামেও পরিচিত ৷ এই উৎসবের মাধ্যমে রাধা-কৃষ্ণের শাশ্বত ও ঐশ্বরিক প্রেম উদযাপন করা হয়। হোলিকা দহন অশুভ শক্তির বিপরীতে শুভ শক্তির জয় নির্দেশিত করে। এটির উৎপত্তি ভারতীয় উপমহাদেশে হওয়ায় সেখানে বেশি উদযাপিত হয়, তবে দক্ষিণ এশীয় প্রবাসীদের মাধ্যমে এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চল এবং পশ্চিমা বিশ্বের বেশকিছু অংশে ছড়িয়ে পড়ছে। হোলি ভারত উপমহাদেশে বসন্তের আগমন, শীতের অবসান এবং প্রেমের প্রস্ফুটনকে চিহ্নিত করে। এটি একটি শুভ বসন্তকালীন ফসলের জন্য প্রার্থনার উৎসবও বটে। হোলি এক রাত ও এক দিন ধরে পালিত হয়, শুরু হয় পূর্ণিমার সন্ধ্যায়, যা হিন্দু বর্ষপঞ্জির ফাল্গুন মাসে পড়ে। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী এটি সাধারণত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে আসে।
বসন্ত উৎসবে দিনে রং এ রঙিন হলেন মানা দেবী সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনে সমস্ত সদস্যবৃন্দরা। এই দিন ১৬২ বি, বি, গাঙ্গুলী স্ট্রিট থেকে মানা দেবী সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনে সমস্ত সদস্যরা এক পদযাত্রার মাধ্যমে রং খেললেন। এবং পথচারী সমস্ত মানুষজনদের রং মাখালেন। উদ্যোগক্তা রাজলক্ষী বিশ্বাস ও অচিন্ত বিশ্বাস বলেন আজকের দিনে আমরা সবাই মিলে রং খেলছি। খুব ভালো লাগছে। সবাই ভালো থাকুক সুস্থ থাকুক এই কামনাই করবো। আমরা চাইবো কোন সনাতনীদের ওপর যে কোনো অত্যাচার না হয়। বাংলাদেশের মতো হতে দেবো না এখানে আমরা।


Comments