সোমবার ৫১ নং গণেশ পুজো কমিটি পরিচালনা বসন্ত উৎসব
বসন্ত উৎসব
বসন্ত উৎসব, যা সাধারণত ফাল্গুন মাসের শুরুতে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) অনুষ্ঠিত হয়, হলো প্রকৃতির নতুন প্রাণের আগমনী বার্তা। শীতের শুষ্কতা কাটিয়ে গাছে নতুন পাতা, ফুলে ও কোকিলের ডাকে এই উৎসব বরণ করে নেওয়া হয়। এটি বাঙালি ও ভারতীয় সংস্কৃতির অন্যতম উৎসব, যা শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রসংগীত ও নৃত্য, এবং রঙ বা আবির খেলার মাধ্যমে রাঙিয়ে তোলা হয়। প্রকৃতি ও রূপ: শীতের অবসানের পর প্রকৃতি নতুন রূপে সেজে ওঠে। পলাশ, শিমুল ফুলে ভরে ওঠে চারপাশ, প্রকৃতি হয়ে ওঠে রঙিন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: প্রাচীনকালে এটি 'মদনোৎসব' হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতনে ১৯০৭ বা ১৯২৩ সাল থেকে প্রবর্তিত বসন্ত উৎসবই সবচেয়ে জনপ্রিয়।
উদ্যাপন: মানুষ হলুদ বা বসন্তী রঙের পোশাক পরে এবং একে অপরকে আবির মাখিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেয়। নাচ, গান ও কবিতার মাধ্যমে বসন্তকে বরণ করা হয়। সাংস্কৃতিক তাৎপর্য: এটি আনন্দের ঋতু, যেখানে মানুষ সকল বিষাদ ভুলে নতুন প্রাণের ছন্দে মেতে ওঠে। এটি ভালোবাসার উৎসব হিসেবেও পরিচিত। বসন্ত উৎসব আসলে প্রকৃতির সাথে মানুষের মেলবন্ধনের উৎসব, যা মনের সব ক্লান্তি দূর করে নতুনভাবে বেঁচে থাকার উদ্দীপনা জোগায়। সোমবার ৫১ নং গণেশ পুজো কমিটি পরিচালনায় আয়োজিত হল বসন্ত উৎসব। এই দিন অঞ্চলে ছোট ছোট বড় প্রত্যকেই নৃত্য মাধ্যমে পদযাত্রা করলেন সবাই। তবে তাঁদের মধ্যে সামিল ছিলেন বিধায়িকা নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, পৌরপিতা ইন্দ্রনীল কুমার সহ্য বহু বিশিষ্ট মানুষজনেরা। উদ্যোগে রয়েছেন রমেশ প্রসাদ,কৃষ্ণ প্রসাদ সাউ সহ আরও অনেকে।


Comments