Posts

মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রথম দিনে পরীক্ষার্থী শুভেচ্ছা জানালেন সমাসেবী অলোক খাটুয়া

Image
আজ ২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হলো ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম এই বড় পরীক্ষা ঘিরে সকাল থেকেই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে তুঙ্গে ছিল ব্যস্ততা। পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা গতবারের তুলনায় প্রায় ২ লক্ষ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য দিক। ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই পরীক্ষা। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে কলকাতা পুলিশ। পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়তা করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে লালবাজার। কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে কোনও সমস্যায় পড়লে পরীক্ষার্থীরা হেল্পলাইন নম্বর- ৯৪৩২৬১০০৩৯-এ ফোন করতে পারবে। প্রয়োজনে পুলিশকর্মীরা সরাসরি সাহায্যে এগিয়ে আসবেন। পরীক্ষার্থী যদি বাড়িতে অ্যাডমিট কার্ড ফেলে আসেন বা দেরিতে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে, সে ক্ষেত্রেও পুলিশি সাহায্য মিলবে। এছাড়াও, পরীক্ষার সময় কোনও পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে অ্যাম্বুলান্স মোতায়েন থাকবে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সম...

লালবাহাদুর শাত্রী মিশন ফাউন্ডেশন ও জয় মাতা দি ভক্ত মন্ডল বটতলা স্ট্রিটে উদ্যোগে অনুষ্ঠান

Image
রক্তদান একটি গুরুত্বপূর্ণ উদারতার কাজ যা অসংখ্য জীবন বাঁচায়। অস্ত্রোপচার, ট্রমা কেয়ার, ক্যান্সারের চিকিৎসা এবং দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা পরিচালনার জন্য রক্ত ​​অপরিহার্য। এর গুরুত্ব সত্ত্বেও, অনেক অঞ্চলে রক্তের ক্রমাগত ঘাটতি দেখা দেয়, যার ফলে স্বেচ্ছায় দান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রক্তদানের মাধ্যমে, ব্যক্তিরা সরাসরি সেই রোগীদের সুস্থতায় অবদান রাখেন যাদের বেঁচে থাকার জন্য রক্ত ​​সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। সেভ দ্য হিউম্যানিটি এনজিও তাদের রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। এই শিবিরগুলি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য সংগঠনের বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ। এনজিও বিশ্বাস করে যে স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রক্তদানের মতো সম্মিলিত পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্তের চাহিদা সর্বজনীন। প্রতিদিন, হাসপাতালগুলিতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাজার হাজার ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। দুর্ভাগ্যবশত, ভারত সহ অনেক দেশ রক্তদাতার অভাবের কারণে রক্তের ঘাটতির সাথে লড়াই করছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য এই অভাব পূরণ কর...

সোমবার সাম প্রেমিক নর্থ ডায়মন্ড সিটি পরিচালনায় খাটু শ্যামা বাবা জাগরণ

Image
খাটু শ্যাম বাবা হলেন ভগবান কৃষ্ণের কলিযুগ অবতার, যাঁর প্রধান মন্দির ভারতের রাজস্থানের সীকর জেলার খাটু গ্রামে অবস্থিত। মহাভারতের বর্বরীকের সাথে সম্পর্কিত, তিনি তাঁর আত্মত্যাগের জন্য পরিচিত এবং প্রায়শই 'কুলদেবতা' বা 'হারে কা সাহারা' (পরাজিতের আশ্রয়দাতা) নামে পূজিত হন । এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত আসেন, বিশেষ করে ফাল্গুন মেলায়। রাজস্থানের সীকর জেলা, খাটু গ্রাম। সম্পর্ক: তিনি মহাভারতের বীর বর্বরীকের (ভীম এবং হিড়িম্বার পৌত্র) অবতার, যিনি ভগবান কৃষ্ণকে নিজের মস্তক দান করেছিলেন। নামের তাৎপর্য: ভগবান কৃষ্ণ বর্বরীকের আত্মত্যাগে খুশি হয়ে তাঁকে কলিযুগে নিজের নামে (শ্যাম) পূজিত হওয়ার বরদান দিয়েছিলেন । পূজা: ভক্তরা তাঁকে 'শীশ কে দানী', 'মোরবিন', 'লখদাতারি' নামেও ডেকে থাকেন। বিশেষ আকর্ষণ: ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা বা হোলির সময় এখানে বিশাল মেলা বসে।খাটু শ্যাম বাবা হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত বিশ্বাসী এবং ভক্তদের কাছে পরম শ্রদ্ধেয়। প্রজাতন্ত দিবসে দিনে সাম প্রেমিক নর্থ ডায়মন্ড সিটি দ্বারা আয়োজিত হল খাটু শ্যামা বাবা জাগরণ অনুষ্ঠান। সাথে ছিল ভুরিভো...

শনিবার ইন্দুমতী সভাগৃহে আয়োজিত হল দিগন্তে সামাজিক কর্মসূচি মোড়ক উন্মোচন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Image
বই মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ কারণ তা জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও কল্পনার ভাণ্ডার হিসেবে মানসিক বিকাশ ঘটায় এবং চিন্তাশক্তিকে প্রসারিত করে। বই মানুষের অন্যতম সেরা বন্ধু যা একাকীত্ব দূর করে, হতাশার সময়ে পথ দেখায় এবং ব্যক্তিগত উন্নতিতে সাহায্য করে । এটি স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জ্ঞান অর্জন করতে পারে, যা চিন্তা-চেতনার বিকাশ ঘটায়। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মানুষকে মোটিভেট করে এবং অস্থির মনকে শান্ত রেখে হতাশা থেকে মুক্তি দেয়। অভিজ্ঞতা সঞ্চয়: বইয়ের মাধ্যমে অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা যায়, যা জীবনকে সুন্দরভাবে গুছিয়ে নিতে সাহায্য করে । স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি: নিয়মিত বই পড়া মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করে, স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। নৈতিক ও মানবিক গুণাবলী: বই মানুষকে মানবিকতা, মূল্যবোধ ও মানবিক মূল্যবোধ শেখায়, যা সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ দেখায় । পরিশেষে বলা যায়, বই হলো মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অদম্য সম্পদ, যা মানুষকে আলোকিত করে এবং জীবনের মানে বুঝতে সাহায্য করে। (দ...

নীহারিকা সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টসে সরস্বতী পুজো

Image
সরস্বতী পূজা হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠেয় একটি অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। তিথিটি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। উত্তর ভারত, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশে সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে বিশেষ উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। শ্রীপঞ্চমীর দিন অতি প্রত্যুষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ছাত্রছাত্রীদের গৃহ ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপে দেবী সরস্বতীর পূজা করা হয়। ধর্মপ্রাণ হিন্দু পরিবারে এই দিন শিশুদের হাতেখড়ি, ব্রাহ্মণভোজন ও পিতৃতর্পণের প্রথাও প্রচলিত। পূজার দিন সন্ধ্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সার্বজনীন পূজামণ্ডপগুলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজিত হয়। পূজার পরের দিনটি শীতলাষষ্ঠী নামে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে কোনো কোনো হিন্দু পরিবারে সরস্বতী পূজার পরদিন অরন্ধন পালনের প্রথা রয়েছে। আমাদের রাজ্যে সরস্বতী পুজোর দিন ছোট বাচ্চাদের হাতেখড়ি দেওয়ানোর রীতি প্রচলিত আছে। অর্থাত্‍ মা সরস্বতীকে সাক্ষী রেখে, তাঁর থেকে আশীর্বাদ নিয়ে ছোট শিশুর বিদ্যাশিক্ষার আনুষ্ঠানিক সূচনা ক...

সোমবার বিজেপি নেতা কালী খটিকে নেতৃত্বে নিউমার্কট কলকাতা কপোরেশন ডি, সি অফিসে সামনে বিক্ষোভ

Image
হিন্দু ঐক্য গড়তে চাওয়া বিজেপির রাজনীতিকে কার্যকরী ধাক্কা দেওয়া সম্ভব। তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিনরা সেটা করছেন। কিন্তু বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সেসব বোধবুদ্ধি নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি পয়সায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি করে ভাবছেন, কি দারুন দিলাম! এদিকে এতে করে তারা যে, ধর্ম নিরপেক্ষতাকে চ্যালেঞ্জ করা বিজেপির রাজনীতির সঙ্গেই অভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গেলেন তা বোঝার ক্ষমতা তার নেই। তৃণমূল এবং বিজেপির দ্বৈরথ বর্তমানে এক অদ্ভুত অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছে। এই দ্বৈরথ অতি তীব্র, কিন্তু অতি সূক্ষ্ম। এমনই সূক্ষ্ম যে কখনও কখনও কে তৃণমূল আর কে বিজেপি তা আলাদা করে চেনা যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রবলভাবে বিজেপির বিরোধী। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ক্ষমতায় আসা আটকাতে তিনি সমস্ত ধরণের পন্থাই ব্যবহার করতে দ্বিধাহীন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল কংগ্রেস কিন্তু বিজেপির হিন্দুত্ববাদী নীতির বিরোধী নয়। ক্ষমতায় বিজেপির না থাকলেই চলবে। বিজেপির কাজ তৃণমূল করে দেবে। এ এক আশ্চর্য রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা। অবশ্য সমগ্র ভারতই এক আশ্চর্য দেশ, এ কথা নিশ্চয়ই সবাই মানবেন। ফলত, এমন ‘আশ্চর্য’ প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা দেশের নানা প্রান্...

প্রয়াত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হল খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান

Image
কিংবদন্তি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৫-২০২০) ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি সত্যজিৎ রায়ের 'অপুর সংসার'-এর (১৯৫৯) মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে প্রায় ২৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, পাশাপাশি কবি, আবৃত্তিকার, নাট্যকার ও পরিচালক হিসেবেও খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি 'ফেলুদা' চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হন এবং বহু সম্মাননা লাভ করেন, যার মধ্যে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার ও ফরাসি 'লিজিয়ন অফ অনার' উল্লেখযোগ্য। ১৯ জানুয়ারি ১৯৩৫, কৃষ্ণনগর, নদীয়া, পশ্চিমবঙ্গ। শিক্ষা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমহার্স্ট স্ট্রিট সিটি কলেজে সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিৎ রায়ের ১৪টি ছবিতে (৩৪টির মধ্যে) অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে 'চারুলতা', 'অরণ্যের দিনরাত্রি', 'সোনার কেল্লা', 'জয় বাবা ফেলুনাথ' ইত্যাদি। অন্যান্য পরিচালক: মৃণাল সেন, তপন সিংহ, অজয় করের মতো পরিচালকদের সঙ্গেও কাজ করেছেন। ফেলুদা: গোয়েন্দা চরিত্র ফেলুদা হিসেবে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। অন্যান্য ভূমিকা: কবি, আবৃত্তিকার, গদ্যকার, নাট্যকার এবং নাট্য নির্দেশক হিস...