Posts

৮০ নং ওয়ার্ড টানস্পর ডেপু রোডে বিজেপি কার্যালয়ে শুক্রবার মাছ ভাতে আয়োজন করা হল

Image
বিজেপি জেতার পর কোথায় কোথায় মাছ ভাত খাওয়ানো হল বিজেপির বিভিন্ন জয়ের পর রাজ্যজুড়ে কর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য মাছ-ভাত খাওয়ানোর উৎসব বা বিজয়ী ভোজের আয়োজন করা হয়। উল্লেখযোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:কলকাতা: দলের রাজ্য সদর দফতর এবং জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের জন্য জাঁকজমকপূর্ণভাবে মাছ-ভাতের আয়োজন করা হয়, যেখানে দলের শীর্ষ নেতারাও অংশ নেন।হুগলি: শ্রীরামপুরের প্রভাস নগরে রাজ্য সরকার গঠনের প্রাক্কালে বিজেপি কর্মীদের জন্য মাছ-ভাত খাওয়ানোর উৎসব পালিত হয়।দক্ষিণ দিনাজপুর: বালুরঘাটে বিজেপির জয়ের আনন্দে প্রায় ১২০০ মানুষকে মাছ-ভাত খাওয়ানো হয়।পশ্চিম বর্ধমান: জামুরিয়ায় বিজয় শোভাযাত্রা শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য প্রীতিভোজ হিসেবে মাছ-ভাত পরিবেশন করা হয়। রাজ্যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন বিজেপি ক্ষমতা এলে বাঙলি মাছ, মাংস খাওয়া আর হবে না । তারই পরিপ্রেক্ষিতে শমিক ভট্টাচার্য বলেছিলেন বিজেপি যেদিন জিতবে বাংলায়,তারপরই সবাইকে মাছ ভাত খাওয়ানো হবে। শুক্রবার ৮০নং ওয়ার্ড টান্সপর ডেপু রোডে। বিজেপি কার্যালয়ে সমস্ত মানুষকে পেট ভরে মাছ ভাত খাওয়ানো আয়োজন করা হল।তব...

দেশের প্রশাসনিক আইন নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সামনে বক্তব্য রাখলেন সৈয়দ ইরফান শের

Image
মানুষ জেনে শুনে রাস্তায় নামাজ পড়ে না। তবে হা এটা লিগ্যাল নয়। মজিদে যারা আছে তাঁদের উচিত ম্যানেজমেন্ট টা ঠিক ঠাক রাখা। এমনটাই বলেন সৈয়দ ইরফান শের। তিনি আরও বলেন কোনো একটা কমিটি কে সাপোর্ট দেওয়া জন্য ভাতা দেওয়া উচিত নয়। যদি দিতে হয় সবাইকেই দাও, না হলে দিও না। তবে আইন অনুসারে ভাতা দেওয়া উচিত। এর পাশাপাশি তিলজোলা ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে সামনে মুখ খুলেন তিনি বলেন তিলজলা যে ঘটনাটি হয়েছে সেটি দুর্ভাগ্য জনক। তবে বুলডোজার চালানো কে তিনি সমর্থন করলেন না। সৈয়দ ইরফান শের বলেন প্রশাসনের উচিত আইন মেনে কাজ করা। হঠাৎ করে বেআইন বলে নোটিশ না দিয়ে কাউকে বলার কোনো সুযোগ না দিয়ে এই ধরনের কাজ করা ঠিক না। এই কাজ গুলো করতে যারা সহযোগিতা করেছে তাঁদের কে শাস্তি দেওয়া উচিত। অসহায় মানুষ ওপর বুলডোজার।

লেক টাউন পোস্ট অফিসে সামনে ঝালমুড়ি উৎসব

Image
পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়ার মুহূর্তটি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এই সাদামাটা এবং স্থানীয় স্ট্রিট ফুড খাওয়ার ঘটনাটি মানুষের মাঝে বিপুল উন্মাদনা ও সেলিব্রেশনের সৃষ্টি করে। পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামে একটি জনসভা করার পর, প্রধানমন্ত্রী মোদী সটান রাজকলেজ মোড়ের একটি সাধারণ ঝালমুড়ির দোকানে চলে যান। তিনি নিজে হাতে ১০ টাকা দিয়ে ঝালমুড়ি কেনেন এবং অত্যন্ত আগ্রহের সাথে তা খান। তাঁর এই সাধারণ মানুষের মাঝে মিশে যাওয়ার মুহূর্তটি লোকজনের মনে দারুণ উচ্ছ্বাস তৈরি করে। নেদারল্যান্ডসেও এর রেশপরবর্তীতে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে ভারতীয় প্রবাসীদের সাথে আলাপচারিতার সময়ও প্রধানমন্ত্রী মোদী পশ্চিমবঙ্গের এই বিখ্যাত 'ঝালমুড়ি' এবং নির্বাচনী প্রচারের প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি যখন প্রবাসীদের কাছে রসিকতা করে জানতে চান, "Kya Jhalmuri Yaha Bhi Pahunch Gai?" (ঝালমুড়ি কি এখানেও পৌঁছে গেছে?), তখন উপস্থিত জনতা করতালি ও হাসির মাধ্যমে তা দারুণভাবে সেলিব্রেট করে। পশ্চিমবঙ্গে ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝা...

বৈশালী পার্ক, দোলতলা, রাজপুর চন্ডী মাতার বাৎসরিক পুজো হল রবিবার

Image
বিপত্তারিণী পুজো হলো মা দুর্গার (পার্বতী) ১০৮ অবতারের অন্যতম এক রূপ, যা প্রধানত আষাঢ় মাসে রথযাত্রা ও উল্টো রথের মধ্যবর্তী মঙ্গল বা শনিবার করা হয় । সংসার, স্বামী ও সন্তানের যাবতীয় বিপদ থেকে মুক্তি এবং পরিবারের মঙ্গল কামনায় মহিলারা নিষ্ঠাভরে এই ব্রত পালন করেন। বিপদ থেকে রক্ষা: 'বিপত্তারিণী' শব্দের অর্থ যিনি বিপদ থেকে উদ্ধার করেন । জীবনের নানা সংকট ও জটিলতা থেকে ত্রাণ পেতে এই পুজো করা হয় ।পৌরাণিক কাহিনি: জনশ্রুতি আছে, মল্লভূমের (বিষ্ণুপুর) রাজা যখন জানতে পারেন রানী তাঁর চর্মকার বান্ধবীর বাড়িতে 'গোমাংস' (মতান্তরে নিষিদ্ধ খাবার) দেখেছেন, তখন তিনি রেগে যান । রানী তখন দেবী দুর্গার শরণাপন্ন হন এবং দেবী সেই নিষিদ্ধ মাংসকে লাল জবা ফুলে পরিণত করে রানীর মান রক্ষা করেন । এই বিশ্বাস থেকেই ১৩টি গাঁট দেওয়া লাল সুতো ধারণ করা হয় ।পরিবারের নিরাপত্তা: সন্তান ও স্বামীর দীর্ঘায়ু এবং সংসারের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে মহিলারা এই পূজা ও ব্রত পালন করেন ।এই পুজোয় ১৩ রকমের নৈবেদ্য এবং ১৩টি গাঁট বিশিষ্ট লাল সুতো (রাখাসূত্র) দেবীকে অর্পণ করে তা হাতে ধারণ করা হয়। রবিবার বিপদত্তারিণী ...

১৪১ নং ওয়ার্ড ওয়ার্ষি নগরে মেট্রিয়া বুশে প্রার্থী আব্দুল খালেক মোল্লা জনসভা

Image
প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৬ জেলার ১৫২ কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হয়। এই পর্যায়ে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ ৭৭ হাজারের বেশি। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ। মহিলা ভোটারের সংখ্যা এক কোটি ৭৫ লাখের বেশি। ভোট নেওয়া হয় সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৯০ শতাংশ পার করে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়ে মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ আসনে। সব মিলিয়ে ভোটদানের হার ৯৫.৩৪ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে বিপুল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল। মোট ২৪০৭ কোম্পানি বাহিনী ছিল ১৬টি জেলায়। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোটার ছাড়া কারও প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তবু বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোল হয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দুটি ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদের নওদা ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে। মুর্শিদাবাদের নওদা কেন্দ্রে সকাল থেকেই দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায় তৃণমূল এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির মধ্যে। ১৭২ নম্বর বুথে আমজনতা উন্নয়নের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের এজেন্টকে বসতে না দেওয়ার অভিযোগ আসে। হুমায়ুন বুথে গেলে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। গো ব্...

দেশ বাঁচাও বাংলা বাঁচাও জনমঞ্চ DBBBPP উদ্যোগে এবং ভোটাধিকার রক্ষা প্রেস কনফারেন্স

Image
দেশ বাঁচাও বাংলা বাঁচাও জনমঞ্চ DBBBPP এর উদ্যোগে এবং ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চে সমর্থনে প্রেস কনফারেন্স হল কলকাতা প্রেস ক্লাবে। সেই কনফারেন্স মূল বিষয় গুলি হল অসংবিধানিক বে আইনি sir বাতিল কর এবং মিলিটারি তুলে নাও। আগে ভোটার পড়ে ভোট। ৯১ লাখ ডিলিটেড ভোটারদের পাশে দাড়াও। সব বাদ পড়া ভাইবোন বুথে চলো। ২০২৫ তালিকা ভোট করতে হবে। নইলে এই অবৈধ ভোট মানছি না। মোথাবাড়ি ন্যায্য আন্দোলনে যারা বন্দী, তাঁদের সকলকে এখনই নিঃশর্তে মুক্তি চাই। সব শেষে আরও একটি বিষয় হল আক্রান্ত ইরান ও লেবানের পাশে দাড়াও এবং ন্যায্যসম্মত শান্তি চুক্তি জন্য দাবী জানাও।নির্বাচন কমিশনে কাছে এক গুচ্ছ প্রশ্ন ১) স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন sir সাল থেকে কোথায় ছিল না, তাহলে কেন ২০২৫ জুন এই ঘোষণা দিলেন? ২০০২ সালে বাংলায় ছিল আমূল তালিকা সংশোধনী নয় কি। কেন এনুমারেশন ফর্ম দিলেন যা আগে কমিশন কখনো দেয়নি। কেন বললেন এনুমারেশন ফর্মরে সাথে কোন কাগজ লাগবে না, কেন বারবার কাগজ চাইলেন। কেন বলেছিলেন ২০০২ সালে যাদের নাম আছে ( বাবা মা দাদা দিদি, স্বয়ং ভোটার ) তাঁদের নাম উঠে যাবে। কেন গোড়া থেকে সার্ভার ওয়েবসাইট কাজ করেনি। কেন ২০২৫ এর ৭.৬৬ কোটি ভোট...

শুক্রবার সৌরভ ভেঞ্চার এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত ইমামদার সিনেমা পোস্টার লঞ্চ হল

Image
২০২৪-২৫ সালের প্রেক্ষাপটে বাংলা সিনেমার অবস্থা মিশ্র—আর্থিক সংকট ও গুণমান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, নতুন ধারার গল্প এবং সরকারি উদ্যোগে (যেমন: হলগুলোতে বাধ্যতামূলক শো) ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চলছে। কলকাতার টলিউড বর্তমানে হারানো গৌরব ফেরাতে কন্টেন্ট ভিত্তিক সিনেমার ওপর জোর দিচ্ছে, যদিও বড় বাজেটের সিনেমার অভাব এবং ব্যবসার খরা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। অপর্ণা সেনের মত ব্যক্তিত্বরা ইন্ডাস্ট্রিকে 'মরার' অবস্থায় বলে উল্লেখ করেছেন, যেখানে বেশিরভাগ দর্শক টেলিভিশন সিরিয়ালের দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া, প্রাইম টাইমে মাল্টিপ্লেক্সে জায়গা না পাওয়া এবং টিকিট বিক্রির অভাব বড় সমস্যা। কন্টেন্ট বা গল্পের ওপর জোর দিয়ে কিছু সিনেমা মালয়ালাম সিনেমার ধাঁচে সফল হওয়ার চেষ্টা করছে। সরকারি পদক্ষেপ: রাজ্যের প্রতিটি সিনেমা হল ও মাল্টিপ্লেক্সে বছরজুড়ে বাংলা ছবি দেখানো বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা হল মালিকদের বাংলা সিনেমা চলতে বাধ্য করবে। অনেক প্রযোজক সিনেমা বানিয়েও প্রচারের জন্য উপযুক্ত অর্থ পাচ্ছেন না, যা ব্যবসার ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সংক্ষেপে, বাংলা সিনেমা বর্তমানে একটি সন্ধিক্ষণে রয়েছে, যেখানে মানস...