Posts

শনিবার অষ্টলক্ষী পরশুরাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কলকাতাতে একটি ছোট প্রেস মিট হল

Image
শনিবার অষ্টলক্ষী পরশুরাম ফাউন্ডেশনের একটি ছোট প্রেস মিটি হল কলকাতা পারীক ভবনে। মূলত এই প্রেস কনফারেন্স টি হয় এই সংস্থার উদ্যোগে আগামী ১২ জুলাই ২০২৬ এর ছাত্রবৃতি বিতরণ সমারোহ হতে চলেছে এবং ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যতের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ও কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই কনফারেন্স এ। আগামী ১২ জুলাই এই সংস্থার উদ্যোগে ছাত্রবৃত্তি বিতরণ ও প্রতিভাবান সন্মান সমারোহ অনুষ্ঠানে থাকছে ২০২৫ ও ২৬ সালে ট্রেন ও টুয়েলফদের ৮৫% থেকে ১০০% নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন ক্যাটাগরি তে যারা সাফল্য পেয়েছে।তাঁদেরকে এই অনুষ্ঠান মধ্যে দিয়ে কিছু অর্থ পে করা হবে। এছাড়া ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল বিভিন্ন পেশায় সফল মানুষজনদের সম্মানিত করা হবে।

(CCM) উদ্যোগে ,আয়োজিত হল পোস্টর্স এন্ড লিডার্স মিট

Image
কাউন্সিল অফ অল খ্রীষ্টান মাইনোরিটি (CCM) পরিচালনায়,সার্কুলার রোড বাপটিস্ট চার্চ এ আয়োজিত হল পোস্টর্স এন্ড লিডার্স মিট প্রোগ্রাম। যেখানে উপস্থিত ছিল চার্জে ফাদার্স, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মানুষজন, এবং বিশিষ্ট মানুষজনেরা। CCM এ আগামী দিনের মূল লক্ষ্য হল যে সব জায়গায় চার্জ বন্ধ হয়ে গেছে, নিপিড়িত মানুষজনের ওপর অত্যাচারিত হচ্ছে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। CCM জেনারেল সেগেটারি শ্রীকান্ত দাস বলেন আমরা সরকারে কাছে প্রাথনা করতে চাই সবাই মিলে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে,দেশের জন্য সমাজের জন্য কাজ করতে চাই । বিঁধেস নয় একে ওপরে সাথে ঘৃণা নয়। ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করতে চাই। ও মানুষরে পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষ সেবাই প্রকৃতির ঈশ্বর সেবা। সমাজকে ভালো রাখা ঈশ্বর কে ভালো রাখা। সব ধর্মেই সেটা বলা রয়েছে। পৃথিবীর জন্য ঈশ্বরের উদ্দেশ্য সত্যিই চমৎকার। যিহোবা চান যেন পৃথিবী সুখী, স্বাস্থ্যবান লোকেদের দ্বারা পূর্ণ হয়। বাইবেল বলে যে, “ঈশ্বর . . . এদনে, এক উদ্যান প্রস্তুত করিলেন” এবং সেখানে তিনি “সর্ব্বজাতীয় সুদৃশ্য ও সুখাদ্য-দায়ক বৃক্ষ . . . উৎপন্ন করিলেন।” প্রথম মানব-মানবী আদম ও হবাকে সৃষ্টি করার পর, ঈশ্বর তাদেরকে ...

দ্যা টুথ ক্লিনিক ড: হিমানীশ চক্রবর্তী ও মালবিকা চ্যাট্টার্জি, তুহিন রায়, কার্তিক মন্ডল, বরিস মুখার্জী পরিচালনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Image
কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুষ্ঠান বলতে সাধারণত বাংলা সাহিত্যের এই দুই দিকপালের সৃষ্টি, জীবন, ও দর্শন নিয়ে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা আলোচনা সভাকে বোঝায়। প্রতি বছর তাদের জন্মজয়ন্তী (রবীন্দ্রজয়ন্তী ও নজরুল জয়ন্তী) উপলক্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে নানান অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা: এই অনুষ্ঠানগুলোতে রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলগীতি, এবং তাদের কবিতা ও প্রবন্ধ পাঠ করা হয়।যুগলবন্দি: প্রায়শই দুই কবির গান ও কবিতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে বিশেষ পরিবেশনা বা নৃত্যনাট্য মঞ্চস্থ করা হয়।পারস্পরিক সম্পর্ক: বিভিন্ন আয়োজনে তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্পর্কের বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা পড়েননি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে সবাই তো আর লেখাপড়া জানেন না। তাঁরা কী করে পড়বেন? না পড়লেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কোনো না কোনোভাবে প্রত্যেক বাঙালিই উপভোগ করেছেন। সহজ উদাহরণ হলো গান। বাংলাদেশের মানুষ ‘আমার সোনার বাংলা’ এই গানটা শোনেননি, এটা হতেই পারে না। তেমনি, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশ...

প্রাক্তন বিধায়িকা রত্না চট্টোপাধ্যায়, রামের পুজো না করতে দেওয়ার অভিযোগ তুলো হেম চন্দ্র সিং নামে এক ব্যক্তি

Image
এবার প্রাক্তন বিধায়িকা রত্না চট্টোপাধ্যায়, রামের পুজো না করতে দেওয়ার অভিযোগ তুলো হেম চন্দ্র সিং নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন,বেহালা ১৩১ নং ওয়ার্ড এয়ারপোর্ট রোড,নেয়ার কালচার মাঠে রাম কথা নামে একটি অনুষ্ঠান গত বছর করার কথা ছিল। এমন কি একটি মিটিং ও আমরা করি, সেই মিটিং এ রত্না দেবী সাফ জানিয়ে দেন। আমি হনুমানে ভক্ত কিন্তু এখানে রামের পুজো বা কোনো অনুষ্ঠান হবে না। জয় শ্রী রাম বলা যাবে না। তবে হেম চন্দ্র সিং এ বছর তার কথা কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রামের পুজো করতে চলেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন এবছর আমরা অনেক বড় করে রামের কথা করবো। কারো ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখাক। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস রামের পুজোয় সরাসরি কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি, তবে রামনবমীর মতো উৎসব ঘিরে রাজনৈতিক বিরোধ তৈরি হয়েছিল। বিরোধের মূল কারণ ছিল উৎসবের রাজনৈতিক ব্যবহার এবং রাজ্য সরকারের কিছু পদক্ষেপ। রামনবমীর মিছিলে অস্ত্র বা তলোয়ার নিয়ে প্রদর্শন বন্ধ করতে তৃণমূল সরকার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল, যার ফলে বিজেপিসহ বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন অভিযোগ করে যে তাদের পুজো ও উৎসবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল য...

ভারতীয় জনতা পার্টি বেহালা পশ্চিম মন্ডল-৩ উদ্যোগে আয়োজিত হল রক্তদান ও শিক্ষাথীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

Image
রক্তদান একটি মহৎ কাজ যা একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে রক্তের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুর্ঘটনা, জটিল অস্ত্রোপচার, থ্যালাসেমিয়া, ক্যান্সার এবং অন্যান্য অনেক রোগের চিকিৎসায় রক্তের অপরিহার্যতা অনস্বীকার্য। এই পরিস্থিতিতে, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। রক্তদান কেবল একজন রোগীর জীবনই বাঁচায় না, বরং রক্তদাতার স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। নিয়মিত রক্তদান করলে শরীরে নতুন রক্তকণিকা তৈরি হয়, যা শরীরকে সতেজ রাখে। এটি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এবং শরীরের অতিরিক্ত আয়রন দূর করে। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতি তিন মাস অন্তর রক্তদান করতে পারেন। রক্তদানের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এতে কোনো ব্যথা বা ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে না। তবে, আমাদের সমাজে এখনও রক্তদান সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। অনেকে মনে করেন রক্তদান করলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে বা কোনো রোগের শিকার হতে পারেন। এই ধরনের ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি ...

মণিপাল হসপিটাল বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ট্রাম কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা চালু করল, 'মনিপাল প্রকৃতি মিত্র,

Image
মণিপাল হসপিটালস বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ট্রাম কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় চালু করল ‘মণিপাল প্রকৃতি মিত্র’ স্বাস্থ্যসেবা কার্ড কলকাতা, ৫ জুন ২০২৬: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র দিয়ে যখন ঐতিহ্যবাহী ট্রামটি চলছিল, তখন তা শুধু যাত্রীই বহন করেনি, বরং বহন করেছে স্থায়িত্ব, জনস্বাস্থ্য এবং এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে শহরের পরিচয় বহনকারী ঐতিহ্য সংরক্ষণের এক শক্তিশালী বার্তা। ঐতিহ্য, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ সচেতনতার এক অনন্য সমন্বয়ে মণিপাল হসপিটালস ইস্ট ক্যালকাটা ট্রামওয়েজ কোম্পানি (সিটিসি)-র সঙ্গে যৌথভাবে একটি বিশেষ সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করে, যেখানে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, যা একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক হিসেবে পরিচিত ট্রাম আজও দেশের অন্যতম পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা। এই সচেতনতামূলক ট্রামযাত্রা গড়িয়াহাট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত পরিচালিত হয়, যা কলকাতার দুই ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে যুক্ত করার পাশাপাশি পরিবেশগত দায়বদ্ধতা ও সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা শহরজুড়ে পৌঁছে দেয়।...

বড়াবাজার শ্রী ডাঃক্ষ্মী মাতা প্রচার সমিতি উদ্যোগে দেশবন্ধু বালিকা বিদ্যাপীঠে ঠান্ডা জলের মেশিন উদ্ভোধন

Image
গরমকালে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার (প্রায় ১০-১২ গ্লাস) জল পান করা উচিত। শারীরিক ওজন, কাজের ধরন এবং ঘামের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে জলের এই চাহিদা কম-বেশি হতে পারে।পুরুষদের জন্য: সারাদিনে প্রায় ৩.৫ থেকে ৪ লিটার।মহিলাদের জন্য: সারাদিনে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ লিটার।গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী মায়েদের: দিনে ৩ থেকে ৩.৫ লিটার।শিশুদের জন্য: বয়স অনুযায়ী ১.৫ থেকে ২ লিটার। আপনার শরীরের ওজনকে 30 দিয়ে ভাগ করলে যত লিটার বেরোবে, দৈনিক আপনার ঠিক তত লিটার জল প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, আপনার ওজন ৬০ কেজি হলে, 60 ÷ 30 = 2 লিটার জল সরাসরি পান করতে হবে।প্রস্রাবের রঙ: প্রস্রাবের রঙ যদি হালকা হলুদ বা স্বচ্ছ হয়, তবে বুঝতে হবে শরীরে জলের মাত্রা ঠিক আছে। একবারে অনেকটা জল না খেয়ে, সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে জল খান।রোদে বেরোনোর আগে ও পরে পর্যাপ্ত জল খান।জলের পাশাপাশি ফলের রস, ডাবের জল বা ওআরএস (ORS) পান করতে পারেন।আপনার বয়স, শারীরিক অবস্থা বা কোনো বিশেষ রোগ (যেমন- কিডনি বা হার্টের সমস্যা) থাকলে জল খাওয়ার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আপনি কি নিজের ওজন, বয়স অথবা সারাদিন...