Posts

ডক্টর শ্যামা প্রসাদ মুখার্জী সেবা ও সাংস্কৃতিক মঞ্চ উদ্যোগে আয়োজিত হল রক্তদান শিবির সহ বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান

Image
প্রায় দুই সেকেন্ডের মধ্যে, বিশ্বের কারো না কারো রক্তের প্রয়োজন হয়। এই সহজ তথ্যটি তুলে ধরে যে রক্তদাতা এবং গ্রহীতা উভয়ের জন্যই রক্তদানের উপকারিতা বোঝা কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্তদান কেবল অন্যদের সাহায্য করার জন্য নয় - এটি দাতাদের জন্যও আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে। এই নির্দেশিকাটি রক্তদানের সুবিধা, এর অসংখ্য স্বাস্থ্যগত সুবিধা এবং দাতা হওয়ার আগে আপনার কী জানা দরকার তা অন্বেষণ করবে। আপনি প্রথমবারের মতো দাতা হোন বা নিয়মিত দাতা হোন না কেন, আপনি এই জীবন রক্ষাকারী অনুশীলন সম্পর্কে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি পাবেন। রক্তদান আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, যা প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচাতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। আমরা দেখেছি কিভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি নিয়মিত এবং জরুরি চিকিৎসা উভয় পরিস্থিতিতেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, বিশ্বজুড়ে রোগীর যত্নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। প্রভাবের পরিধি: আপনার একবারের রক্তদান ৩ জন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। এই অসাধারণ উপকারিতা বৃদ্ধি পায় কারণ আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিগুলি একটি দানকে বিভিন্ন উপাদানে বিভক্ত করতে পারে, প্...

৯,১০,১১ জানুয়ারি ২০২৬ শে আয়োজিত হল রোটারি অ্যানুয়াল কনফারেন্স

Image
থ্যালাসেমিয়া রোগের প্রধান কারণ হল জিনগত ত্রুটি, যা বাবা-মা থেকে সন্তানের মধ্যে আসে এবং হিমোগ্লোবিন তৈরিতে বাধা দেয়, ফলে রক্তাল্পতা দেখা দেয়; এই রোগ ছোঁয়াচে নয়, কিন্তু বাহক বাবা-মায়ের থেকে সন্তানের মধ্যে ছড়ানোর ঝুঁকি থাকে, তাই সচেতনতা ও প্রি-ম্যারিটাল বা প্রিনেটাল স্ক্রিনিং (বিয়ে-পূর্ববর্তী বা গর্ভকালীন পরীক্ষা) অত্যন্ত জরুরি, কারণ সচেতন হলেই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। এটি একটি বংশানুক্রমিক রোগ, যা ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন জিনের কারণে হয়, যা পিতামাতা থেকে সন্তানদের মধ্যে সঞ্চারিত হয়। হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি: এই ত্রুটিপূর্ণ জিন শরীরের প্রয়োজনীয় হিমোগ্লোবিন (লোহিত রক্তকণিকায় অক্সিজেন বহনকারী প্রোটিন) তৈরি করতে পারে না, ফলে লোহিত রক্তকণিকা কমে যায়। বাহক: বাবা-মা উভয়ের থ্যালাসেমিয়া জিন থাকলে সন্তানের ২৫% থ্যালাসেমিয়া হওয়ার এবং ৫০% বাহক হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাই সচেতনতা জরুরি। সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা: প্রতিরোধ: বাবা-মা বাহক হলে প্রি-ম্যারিটাল স্ক্রিনিং (বিয়ে-পূর্ববর্তী পরীক্ষা) ও গর্ভকালীন পরীক্ষার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। সঠিক সিদ্ধান্ত: বাহক দম্পতিরা সচেতন হলে সন্তানের সুস্থ ভবিষ্যৎ...

বুধবার ৪৫নং ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী উদ্যোগে আয়োজিত কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান

Image
সামাজিক কাজের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম, কারণ এটি ব্যক্তি ও সমাজের সামগ্রিক কল্যাণ সাধন, দুর্বল ও নিপীড়িতদের সাহায্য, মানবাধিকার রক্ষা এবং সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে অপরিহার্য; এটি মানুষকে স্বনির্ভর হতে ও তাদের দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে, যা একটি উন্নত সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে,। বুধবার ৪৫নং ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস জয় হিন্দ বাহিনী উদ্যোগে আয়োজিত হল কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান। উদ্যোগক্তা শৈলেশ মিশ্রা। এই দিন বহু মানুষকে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল বিশিষ্ট মানুষজনেরা।

কলকাতায় ৪২তম ইন্ডিয়ান রোজ কনভেনশন: ভারতের ফুলচাষের মানচিত্রে বাংলার অগ্রণী অবস্থান আরও সুদৃঢ়

Image
ভারতের ফ্লোরিকালচার জগতে আবারও জাতীয় গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠল কলকাতা। বেঙ্গল রোজ সোসাইটির উদ্যোগে এবং ইন্ডিয়ান রোজ ফেডারেশনের তত্ত্বাবধানে ৩ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত লায়ন্স সাফারি পার্কে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৪২তম ইন্ডিয়ান রোজ কনভেনশন ও অল ইন্ডিয়া রোজ শো। এই সম্মানজনক জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে ভারতে গোলাপ চাষ, সংকরায়ণ ও প্রদর্শনের ক্ষেত্রে বাংলার ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক নেতৃত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। তিনদিনব্যাপী এই জাতীয় সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২৫০-রও বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন খ্যাতনামা রোজারিয়ান, উদ্ভিদপ্রজননবিদ, উদ্যানবিদ, গবেষক এবং ফুলচাষ বিশেষজ্ঞরা। সম্মেলনে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন শ্রী সঞ্জয় মুখার্জি, বিশ্বখ্যাত রোজারিয়ান শ্রীমতী গিরিজা বিরারাঘবন এবং লায়ন্স সাফারি পার্কের চেয়ারম্যান শ্রী অশোক মেহতা। জ্ঞান বিনিময়, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভারতের দ্রুত বিকাশমান ফুলচাষ খাতে উৎকৃষ্ট চর্চার প্রসারে এই সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করছে। চলমান সম্মেলনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ অল ইন্ডিয়া রোজ শো, যেখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শ...

৬১নং ওয়ার্ডে মানজার ইকবালে উদ্যোগে আয়োজিত হল বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান

Image
রক্তদান একটি গুরুত্বপূর্ণ উদারতার কাজ যা অসংখ্য জীবন বাঁচায়। অস্ত্রোপচার, ট্রমা কেয়ার, ক্যান্সারের চিকিৎসা এবং দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা পরিচালনার জন্য রক্ত ​​অপরিহার্য। এর গুরুত্ব সত্ত্বেও, অনেক অঞ্চলে রক্তের ক্রমাগত ঘাটতি দেখা দেয়, যার ফলে স্বেচ্ছায় দান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রক্তদানের মাধ্যমে, ব্যক্তিরা সরাসরি সেই রোগীদের সুস্থতায় অবদান রাখেন যাদের বেঁচে থাকার জন্য রক্ত ​​সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। সেভ দ্য হিউম্যানিটি এনজিও তাদের রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ। এই শিবিরগুলি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য সংগঠনের বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ। এনজিও বিশ্বাস করে যে স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় রক্তদানের মতো সম্মিলিত পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছরে প্রথম দিনেই ৬১নং ওয়ার্ডে পৌরপিতা মানজার ইকবালে উদ্যোগে আয়োজিত হল ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প, বাচ্ছাদের বসে আঁকা প্রতিযোগিতা, কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান। সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হল। যা ছিল দেখার মত।

৫নং ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস ও তৃণমূল যুব কংগ্রেসে উদ্যোগে আয়োজিত হল কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠান

Image
সমাজে সামাজিক কাজের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম কারণ এটি ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের কল্যাণ বৃদ্ধি করে, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে, দারিদ্র্য হ্রাস করে, দুর্বলদের সহায়তা করে এবং একটি সহানুভূতিশীল ও উন্নত সমাজ গঠনে সাহায্য করে, যেখানে সবাই একসাথে কাজ করে একে অপরকে উন্নত করে এবং সামাজিক সমস্যা সমাধান করে। সামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণ: সামাজিক কাজ মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত উন্নয়নে সাহায্য করে, তাদের সম্পদ ও দক্ষতা ব্যবহারে উৎসাহিত করে, যা একটি উন্নত সমাজ গড়ে তোলে। সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: এটি দুর্বল ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে সাহায্য করে এবং সমাজে ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে লড়াই করে। দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা: প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য সংকটের সময় সামাজিক সংগঠন ও কর্মীরা দ্রুত মানুষকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য হ্রাস: এটি দারিদ্র্য বিমোচন ও ধনী-গরিবের মধ্যে ব্যবধান কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সামাজিক বন্ধন ও সংহতি: সামাজিক কাজ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের বন্ধন দৃঢ় করে। মানসিক ও সামাজিক সমর্থন: এটি মানুষ, পরিবার ও ...

মনকামনা মন্দিরে পরিচালনায় আয়োজিত হল জাগরণ উৎসব

Image
মাতাজি জাগরণ পুজো। হলো এক ধরনের হিন্দু ভক্তিপূর্ণ অনুষ্ঠান, যেখানে ভক্তরা সারা রাত জেগে দেবীর (বিশেষত বিভিন্ন রূপ, যেমন দুর্গা, কালী বা অন্য স্থানীয় দেবী) সম্মানে ভজন, কীর্তন, আরতি, মন্ত্রপাঠ ও নাচ-গানের মাধ্যমে উপাসনা করেন, যা মূলত 'জাগরণ' বা 'জাগরাতা' নামে পরিচিত এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট ইচ্ছা পূরণের জন্য বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশে করা হয়, বিশেষত উত্তর ভারতে এটি প্রচলিত। সারা রাত জেগে থাকা। 'জাগরণ' শব্দের অর্থই হলো জেগে থাকা। এই সময় ভক্তরা দেবীর নামে জাগরণ করে, অর্থাৎ রাত জেগে পূজা করেন।ভক্তিগীতি ও নৃত্য: দেবীর মহিমা কীর্তন করে ভজন, শ্লোক, আরতি ও লোকনৃত্য পরিবেশিত হয়, যেমন গরবা ও ডান্ডিয়া। পূজার উদ্দেশ্য: সাধারণত কোনো মনোবাঞ্ছা পূরণ হলে বা বিশেষ কোনো কারণে এই পুজো করা হয়, যা 'মান্নাত' নামেও পরিচিত। দেবতার রূপ: এটি যেকোনো দেবীর উদ্দেশ্যে হতে পারে, তবে মা দুর্গা, কালী, বা অন্যান্য লোকদেবীর (যেমন খন্ডোবা) উদ্দেশ্যেও এটি প্রচলিত। মঙ্গলবার লোহাপট্টি জগন্নাথ মন্দিরে কাছে মন কামনা মন্দিরে পরিচালনায় হয়ে গেল মাতা রানী জাগরণ পুজো। ছিল, ভোজন কীর্তন, ভোগ প্রসাদ বিত...