Posts

শুক্রবার প্রচার সারলেন চুরাঙ্গী বিধানসভা প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়

Image
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় ২৯৪টি আসনেই অনুষ্ঠিত হবে, যার প্রস্তুতির জন্য নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধন (বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR) এবং BLO-দের নির্দেশিকা প্রদান করেছে । সব প্রধান দল—টিএমসি, বিজেপি এবং বামফ্রন্ট—প্রার্থী নির্বাচন ও নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করছে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। একদিকে নির্বাচন কমিশন যেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তেমনই রাজনৈতিক দলগুলোও প্রার্থী চূড়ান্ত করে নেমে পড়েছে প্রচারে। দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনটি এই বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অন্যতম হাই ভোল্টেজ লড়াইয়ের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। তার মূল কারণ এই আসনের প্রার্থী তালিকা - একদিকে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা ব্যানার্জী লড়ছেন, অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। একসময় মিজ. ব্যানার্জীর মন্ত্রিসভার অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ...

মেট্রিয়া বুশে প্রার্থী আব্দুল খালেক মোল্লা হয়ে প্রচার সারলেন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান

Image
২৩শে এপ্রিল ও ২৯শে এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য এবং ৪ঠা মে ভোট গণনার জন্য নির্ধারিত এই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬, কেবল আরেকটি নির্বাচনী চক্র নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত যা রাজ্যের রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে। অনেক ভোটারের কাছে এই নির্বাচন রাজনৈতিক স্লোগানের বিষয় নয়। এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত – যে রাস্তায় তারা যাতায়াত করেন, যে নিরাপত্তা তারা অনুভব করেন, যে চাকরির জন্য তারা সংগ্রাম করেন এবং যে রাজ্যে তারা বাস করেন তার পরিচয়ের সাথে। এই বছর যখন মানুষ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তখন তাঁরা শুধু একজন প্রার্থীকেই বেছে নিচ্ছেন না। তাঁরা বেছে নিচ্ছেন আগামী দশকে বাংলা কেমন হবে। এই নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ গতিপথ—এর উন্নয়ন মডেল, শাসনের মান, আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি এবং এমনকি বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তা প্রেক্ষাপটে এর ভূমিকাও নির্ধারণ করবে। এই ব্লগটি পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনকে প্রভাবিতকারী মূল বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে, যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, নেতৃত্বের লড়াই, নাগরিক সমস্যা, পরিচয়ের আখ্যান, ভোটারদের চ্যালেঞ্জ এবং প্রযুক্তির ভূমিকা।...

১০৫ নং ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসে প্রার্থী দেবব্রত মজুমদারে হল মঙ্গলবার

Image
ভোটের পারদ ক্রমশ চড়ছে বাংলায়। ৯০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এসআইআরে। তারই প্রতিবাদ জানাতে দিল্লি যাচ্ছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অন্যদিকে, রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফে। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে শোকজ করার দাবি জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে সরাসরি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি লিখল তৃণমূল।সিইও-র বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের দাবি, শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থে মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হোক।নন্দীগ্রামে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ নেতার সঙ্গে ঘুরেছেন মনোজ আগরওয়াল। গত সোমবার এমন অভিযোগেই সরব হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দফতরে চিঠি পাঠায় তৃণমূল। সিইও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় ঘুরেছেন সিইও, ভোটারদের থেকে মতামত জানতে চেয়েছেন। বিজেপির কালীচরণপুর এরিয়া কমিটির কনভেনার তপন কুমার মহাপাত্রের সঙ্গে ঘুরেছেন। ভোট মাত্র আর কয়েক টা দিন বাকি তাই ভোটের প্রচার চলছে দা...

হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষে হনুমান মন্দির যুব সংঘে উদ্যোগে আয়োজিত একটি সুন্দর পদ যাত্রা

Image
হনুমান জয়ন্তী বা হনুমান জন্মোৎসব হল হিন্দু দেবতা হনুমানের জন্ম উদযাপন, যা চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয়। এটি অটল ভক্তি, শক্তি এবং নম্রতার প্রতীক হিসেবে পালিত হয় । বিশ্বাস করা হয় যে এই দিনে পূজার মাধ্যমে বজরংবলীর আশীর্বাদ পাওয়া যায়, যা ভীতি, দুঃখ ও দারিদ্র্য দূর করে। এই দিনে ভক্তরা হনুমানজির বিশেষ পূজা করেন, হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং সুন্দরকাণ্ড পাঠ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। হনুমানজিকে সিঁদুর (কমলা রঙের), চমেলি তেল, লাড্ডু বা গুড়-ছোলা নিবেদন করা হয়। এই উৎসবটি বিশ্বাস জাগিয়ে তোলে যে হনুমানজি কলিযুগেও জীবিত এবং ভক্তদের রক্ষাকর্তা । এই দিনে নিরামিষ আহার পালন করা হয় এবং ব্রহ্মচর্য অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। হনুমান জয়ন্তী শক্তি ও ভক্তির প্রতীক হিসেবে ভক্তদের জীবনে সাহস ও বল যোগায়। হনুমান মন্দির যুব সঙ্ঘ এ উদ্যোগে প্রতি বছরে ন্যায় এবছরও ধুমধাম করে পুজো পালিত হল। শুধু তাই নয় পুজো পাশাপাশি শনিবার পুজো উপলক্ষে হনুমান জয়ন্তী একটি পদ যাত্রা আয়োজিত। যেখানে বড় ছোট নারী পুরুষ সবাই কে এই পদ যাত্রায় হাটতে দেখা যায়। পদ যাত্রা টি শুরু হয় 77 গার্ডেন রিচ রোড হুগলী জুট ম...

বাড়ি বাড়ি প্রচার সারলেন তৃণমূল কংগ্রেসে প্রার্থী হাজী আব্দুল খালেক মোল্লা

Image
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার বেশ জমে উঠেছে, যেখানে প্রার্থীরা অভিনব কৌশল, তারকা প্রচারক, এবং প্রখর রোদ-জলের মধ্যেও বাড়ি-বাড়ি জনসংযোগের ওপর জোর দিচ্ছেন । তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দেবের মতো তারকারা প্রচারে অংশ নিচ্ছেন, অন্যদিকে বিজেপি পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির বাইরে এসে নতুন মুখেদের সামনে আনছে। প্রার্থীরা সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলছেন, রোদ-জল উপেক্ষা করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। টলিউড সুপারস্টার দেব এবং অন্যান্য জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বরা (যেমন শতরুপা [৩]) নিজ দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার এবং সাধারণ সভায় ভিড় জমানোর পাশাপাশি নতুন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের 'বেকার ভাতা' বা উন্নয়নমূলক কাজের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী শিবির (বিজেপি) আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির ইস্যুতে প্রচার করছে। নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত বুথ তৈরির মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা প্রচারের গতিকে আরও তীব্রতর করছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও প্রার্থীরা ভোটারদের মন জয় করতে কোনো কসরত ছাড়ছেন না। বিধানসভা নিবার্চন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গায় প্রচার চ...

ভোটের প্রচার সারলেন ৬১ নং ওয়ার্ডে পৌরপিতা মাংজার ইকবাল

Image
২০২৬ বিধানসভা ভোট এ প্রচার কেমন চলছে।২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার এখন তুঙ্গে। তৃণমূল (TMC) এবং বিজেপি (BJP)-র মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে, যেখানে রাজ্য জুড়ে সভা, রোডশো এবং ডিজিটাল প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা চলছে। নির্বাচন কমিশন (ECI) সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার এবং প্রার্থীদের খরচের ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে এবং ভোট গ্রহণে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২৬ বিধানসভা ভোটের প্রচারের মূল দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো: প্রচার কৌশল: দলগুলো—বিশেষ করে তৃণমূল এবং বিজেপি—রোডশো এবং বড় সভা করছে। যেমন, অতনু ঘোষের মত নেতারা প্রচারের অভিনব কৌশল ব্যবহার করছেন। ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া: কমিশন থেকে প্রার্থীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট হলফনামায় ঘোষণা করা এবং বিজ্ঞাপনে ছাড়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা প্রচারের খরচে স্বচ্ছতা আনবে। নিরাপত্তা ও সংঘর্ষ: উত্তরবঙ্গ এবং বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। ভোটের দিনক্ষণ: ২০২৩ সালের এপ্রিলের শেষে (২৩ এবং ২৯ এপ্রিল) দুই দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে...

বিবেকানন্দ সেন্টার ফর সোশ্যাল সার্ভিস ও বালিগঞ্জ সংবাদ বিক্রেতা কেন্দ্রে উদ্যোগে আয়োজিত রক্তদান শিবির

Image
১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভারতে আহত সৈনিকদের সাহায্যে প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান শুরু হয়। দেশের প্রথম ব্লাড ব্যাঙ্কটি কলকাতার অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ হাইজিন এন্ড পাবলিক হেলথ এ স্থাপিত হয় এবং রেড ক্রস পরিচালিত হয়। রক্তদাতারা বেশিরভাগ সরকারি কর্মচারী এবং এংলো-ইন্ডিয়ান সম্প্রদায়ের মানুষ মানবতার কারণের জন্য রক্ত ​​দান করেছে। যুদ্ধের পরে স্বেচ্ছাসেবী দাতাগণের সংখ্যা হ্রাস পায় এবং রক্তদানকারীদের দান করা হতো। ১৯৫৪ সালে মুম্বাইয়ে সোনালী রক্তদান ক্যাম্পে লীলা মৌলগ্নকার শুরু করেছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে অনেকগুলি রক্তবর্ণ ব্যাংক বিভিন্ন শহরে খোলা দেখেছিল। ১৯৭৫ সালে তার দায়িত্ব পালনকালে, জন্মাজী জলি, ভারতীয় সোসাইটি অব ব্লাড ট্রান্সফিউজেন এবং ইমিউনোহাইম্যাটোলজি'র সভাপতি অক্টোবর 1 তারিখে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান দিবসের কথা ঘোষণা করেন, যা সারা দেশ জুড়ে দেখা যায়। ১৯৪২ সালে এইচআইভি প্যাডেমিক এডিসের বিস্তার রোধে নীতিমালার তত্ত্বাবধান করার জন্য ১৯৯২ সালে জাতীয় এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন প্রতিষ্ঠা করে। পরবর্তীকালে, জাতীয় এইডস কন্ট্রোল প্রোগ্রামটি চালু করা হয়...