কসবা যুবক সংঘে পরিচালনায় শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন দুর্গোউৎসবে শুভ উদ্ভোধন হল বুধবার
বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় ও সামাজিক উত্সব হল দুর্গাপুজা বা দুর্গোত্সব। হিন্দু দেবী দুর্গার আরাধনাকে কেন্দ্র করেই এই মহোত্সব। শাস্ত্রীয় বিধান মতে, আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে এবং চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষে দুর্গোত্সব পালন করা হয়। দক্ষিণ এশিয়ায় এই পুজাকে শরৎকালের বার্ষিক মহা উৎসব হিসাবে ধরা হয় তাই একে শারদীয় উৎসবও বলা হয়। কার্তিক মাসের ২য় দিন থেকে ৭ম দিন পর্যন্ত এই উৎসবকে মহালয়া, মহাষষ্ঠী, মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী, মহানবমী ও মহাদশমী নামে পালন করা হয়। রামায়ণ অনুসারে, অকালে বা অসময়ে দেবীর আগমন বা জাগরণ বলে বসন্তকালের দূর্গা উৎসবকে বাসন্তী পূজা বা অকালবোধনও বলা হয়।কলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজা সাড়ম্বরে পালন করা হয়। তবে বর্তমানে ভারতের একাধিক রাজ্যেই এই উত্সব বিশেষ ভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় এই উৎসবের জাঁকজমক সর্বাধিক।
হলেও মহারাষ্ট্র, অসম, ওডিশাতেও মহাসমারোহে দুর্গাপুজা পালিত হয়।। পাশ্চাত্য, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যেসব দেশগুলিতে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা কর্মসূত্রে বসবাস করেন, সেখানেও মহাসমারোহে দুর্গোৎসব আয়োজিত হয়ে থাকে। এই কারণে সারা বিশ্বের কাছেই বর্তমানে বাংলার অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছে দুর্গোৎসব।এ বছর ২০২৩ শে দূর্গা পুজো শুরু হচ্ছে ২০ অক্টবর। মহালয়া থেকেই বেশি ভাগ পুজো প্যান্ডেল ঠাকুরের চলে এসেছে। শুধু তাই নয় ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে পড়েছে অনেকেই। বুধবার কসবা যুবক সংঘে পরিচালনায় শ্রী শ্রী সার্বজনীন দুর্গ উৎসবে শুভ উদ্ভোধন হল। কসবা ৬৩,নং কুমোর পাড়া লেন এই পুজো অতি জনপ্রিয়। বহু বছর ধরে হয়ে আসছে তাঁদের এই পুজো। পুজো উদ্যোগে রয়েছে সম্পাদক রাজেশ দাস, মিন্টু মন্ডল, রবি সরদার, কোষাধক্ষ অরুন দাস সহ আরও অনেকে। বাঁশ কাপড় দিয়ে মাঠির মাতৃ প্রতিমায় কসবা যুবক সংঘে পুজো একেবারে জম জমাট। তবে এই পুজো শুভ উদ্ভোধন হল পৌরপিতা বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, ও পৌরমাতা চৈতালি চট্টোপাধ্যায় এ হাত দিয়ে।


Comments